৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪
মে ০২২০১৭
 
 ০২/০৫/২০১৭  Posted by

উমাপদ কর-এর এক গুচ্ছ ছোট কবিতা ও কিছু প্রশ্নোত্তর

১। কবিতা দিনদিন ছোট হয়ে আসছে কেন? দীর্ঘ কবিতা সৃষ্টি ও চর্চা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার কারণ কী? দীর্ঘ কবিতা সৃষ্টির দম-দুর্বলতা-ই কি ছোট কবিতা বেশি বেশি লেখার কারণ? নাকি, ছোট কবিতার বিশেষ শক্তি এর অনিবার্যতা? কী সেই শক্তি?

বিজ্ঞানের প্রভাবে মানুষের গড় আয়ু-কাল বেড়েছে। জীবন কি কমেছে সমহারে? প্রশ্নটা আমাকে ভাবায়। জীবনে অবসর কি কমেছে আরো বেশি হারে? শিল্পের জন্ম তো অবসর থেকেই। যাপনে অবসর কমে গেলে তার প্রভাব শিল্পের ওপর পড়তে বাধ্য। পাহাড় কেটে কুঁদে গুহাচিত্র আর হয় না। আধ ঘণ্টার আলাপে বিস্তারে ঝালায় খেয়াল সাত মিনিটেই খতম হয়ে যাচ্ছে। জীবন জটিল থেকে জটিলতর। যাপনে অনন্তের সীমায়ন ঘটেই চলেছে ভোগের এক দুই তিনে। নিত্যদিনের ফুলবাগানটিতে ফুল ফুটছে, কিন্তু একটি কি দুটি। পরিপাটি করে খাবার সময়কাল আর জায়গাটি দখল করে নিচ্ছে ফাস্ট-ফুডের মস্তানি। শরীরে বস্ত্রভার কমেই চলেছে। শোকের আয়ু কমে যাচ্ছে। অস্বীকার করা যাচ্ছে না, এসব। কোন গতিতে চলেছে মানুষ? গতি গতি গতি। স্থিতি তাহলে কমেছে। স্থিতি কমলেই কমে যায় অবসর। গতির দৌলতে দেখছে বেশি, ভাবছে কম। সার্ফ করে যাচ্ছে ঘটনাক্রম, অনুভবে আসছে কম। ‘স্মল লিভিং, হাই থিংকিং’ শুধুই কথার কথা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সময়ের অনুদান থেকে বঞ্চিত মানুষ সময়ের অবোধ্য ব্যাখ্যাতীত গ্রাসে হাঁসফাঁস করছে। শুনছে কম, পড়ছে কম, সময় অমূল্য জ্ঞানে সময়কে ভাগ করে ফেলছে হাজারো প্রকোষ্ঠে, দরকারি অ-দরকারি নির্বিশেষে। কবিতা এসবের বাইরে নয়। জটিলতার প্রকাশ দীর্ঘতায় হয় না।

এটা ঠিক মানুষের গড় উচ্চতা বেড়েছে। আবার এও সত্য যে মানুষের সংখ্যাধিক্যে বসবাসের পরিসর কমছে। রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে পড়ছে। হাঁটতে গেলে কাঁধে কাঁধ ঠেকে যাচ্ছে। বস্তি দুমড়ে উঠে পড়ছে স্কাইস্ক্র্যাপার। উল্টোদিকে আলমারি সমান কম্পিউটার এখন হাতের মুঠোয়। আকৃতিতে প্রায় সমস্ত আবিষ্কার ছোট জায়গা নিচ্ছে। পৃথিবীর আয়তন এক ফোটাও কমেনি। কিন্তু প্রকৃত অর্থে মানুষের কাছে ক্রমেই পৃথিবী ছোট হয়ে যাচ্ছে। কবিতা এসবের বাইরে নয়। কবির সংখ্যা একদা ছিল খুবই কম। কিন্তু তাঁরা ছিলেন সারাদিনের কবি। একটা সময়-কালের পরে কবির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকলেও সারাদিনের কবি মেলা ভার। এখন অধিকাংশই দেড়-দু ঘন্টার কবি। রাজা-নবাব, তাঁদের দরবার আলো করা কবির কাজই ছিল প্রশস্তি বিস্তার ইনিয়ে বিনিয়ে। সে প্রয়োজন নেই। বিগ-হাউসের পত্র-পত্রিকায় কালেভদ্রে আমন্ত্রণমূলক বর্ণনাত্মক কবিতা আজও অবশ্য কিছু দেখা যায়। এসবই কবিতার সঙ্গে জড়িয়ে আছে। এক সময়ের আবেগ উচ্ছাস বর্ণনা গল্পফাঁদা ইত্যাদি ফিলটার হতে হতে, নিগেশনের পর নিগেশন হতে হতে, পরিমিতি বোধের চেতনায় উজ্জ্বল হয়ে সূক্ষ্মতার দিকে যাত্রা অব্যাহত রেখে যাচ্ছে। এসবই কবিতার ভিন্ন চিন্তনকে যেমন প্রভাবিত করছে, তেমনি আকৃতিগত অবস্থান নিয়ে বেশি কসরৎ-এ অনীহ করে তুলেছে। দম দুর্বার হলেও প্রয়োজন ও ব্যবহারিক অবস্থানকেই ভালোবাসা কিছু অন্যায় বা অপরাধ হতে পারে না। যে পারে, সে দুই-ই পারে। না হলে অবলুপ্ত হয়ে যেত। এখনো, কম হলেও লেখা তো হচ্ছে দীর্ঘ কবিতা। কবিতা কবিতাই। সে ছোট হোক, আর বড় হোক। পার্থক্য মেজাজে চলনে ভাষ্যে আর সংবেদনায়।

২। এক লাইনেও কবিতা হয়, আবার সহস্র চরণেও। আকারে-অবয়বে দীর্ঘ বা ছোট হলেই কি একটি কবিতা দীর্ঘ কবিতা বা ছোট কবিতা হয়? ছোট কবিতা ও দীর্ঘ কবিতার বিশেষত্ব কী?

পদ্য লেখা হচ্ছে দীর্ঘ দিন ধরে। কবিতা কিন্তু খুব বেশি দিনের কথা নয়। আমার মনে হয় দীর্ঘ-পদ্য যত লেখা হয়েছে, দীর্ঘ-কবিতা তত লেখা হয়নি। পদ্য ও কবিতার গুণগত ভাবনাটি মাথায় রাখতে অনুরোধ করব। আমি মনে করি একটা কবিতা অনেক অণু কবিতার সমষ্টি। এক চরণেই একটা কবিতা, বা একটা শব্দ-বন্ধেও একটা কবিতা তো প্রায়ই অনুভূত হয়। কবিতা চারপাশে দশদিকে। টুকরো-টাকরা। স্পার্ক। সে স্পার্কেই সংকেত। সেই সংকেত অবয়বহীন। সংকেতের কানেক্টিভিটি আর লিপিকরণ। এক, দশ, শত, সহস্র ম্যাটার করে না। এভাবে ভাবি। ছোট-বড়র বৈশিষ্ট্য আমি খুব ভালো জানি না। হতে পারে বিন্দুতে সিন্ধু উপলব্ধি। আবার এও হতে পারে সিন্ধুতে বিন্দু খোঁজা। হতে পারে, একটি রেখা একটি চাবুক একটি কলির মোলায়েম যা অনেকক্ষণ আপনার ঘুম নষ্ট করবে। হতে পারে, যেতে যেতে আপনি ভ্রমণের সমস্ত আস্বাদ নিচ্ছেন মনে শরীরে। এলিয়ে পড়তে পারছেন না, না, আর দেখব না, শুনব না, গন্ধ নেব না, রসে মজব না, বলে এড়িয়ে যেতে পারছেন না। আপনি মাঝে মাঝে ঘুরে দেখছেন সেই পথ যা পেরিয়ে এসেছেন, বা ফিরে দেখেও চিনতেই পারছেন না, ভুলেছেন পূর্বস্মৃতি, তখন এগিয়ে যাওয়াই সাব্যস্ত করেছেন, আর চলেছেন। কোত্থেকে আসছেন বা শুরু করেছেন তার জন্য মাথা খুঁড়ে মরছেন না এখন, আবার কোথায় গিয়ে পৌঁছুবেন, জানেন না তাও। জানার খুব একটা আগ্রহও নেই যে। চলেছেন, উপভোগে আনন্দে…। এসব নিয়ে সত্যি আমি বেশি কিছু জানি না। যাঁরা জানেন, তাঁরা নিশ্চয়ই লিখবেন। আমি পড়তে আগ্রহী।

(৩/ক) ছোট কবিতার গঠন-কাঠামো কেমন হওয়া উচিত মনে করেন?

আমি ঠিক জানি না। কবিতা একটি নির্মাণ। সেই নির্মাণে একটা আপাত স্ট্রাকচার থাকে, কিন্তু তা নিয়ে কোনো পূর্ব ধারণা বা পূর্বশর্ত থাকতে পারে কিনা, জানিনা। আমার মতে থাকা উচিৎ নয়। থাকলে তাতেই হাঁসফাস করে মরতে হবে, আর কবিতাটি কর্পূর। বদ্ধতা কবিতার অন্তরায়।

(৩/খ) ছোট কবিতা পাঠে পূর্ণ তৃপ্তি পাওয়া যায় কি?

তৃপ্তি? তায় আবার পূর্ণ? ছোটয় কেন? বড়, হাফ-বড়, মাঝারি, ছোটর চেয়ে কিছুটা বড়, ইত্যাদি কোথাও কি কবিতাপাঠে তৃপ্তি মেলে? সবার কথা বলতে পারব না। আমার তৃপ্তি মেলে না, পূর্ণ তৃপ্তির কোনো প্রশ্নই ওঠে না। সে কি বড়, কি ছোট! শুনেছি, বা নিজেরও সামান্য অভিজ্ঞতায় বুঝি কবিতা যে করে সেই তৃপ্তি পায় না। তা, যে পড়ে সেই বা পায় কি করে? কবিতাকারি তৃপ্ত হতে পারে না বলেই আবার ছুটে বেড়ায় মানসভ্রমণে। লেখে, ছেঁড়ে, কাটে, পাল্টায়, বারবার, আরেকটা অতৃপ্তিকে জড়িয়ে ধরে। পাঠের ক্ষেত্রে অন্যের কথা বলতে পারব না। নিজের কথা এইরকম। আমার ছোট মাঝারি বড় যাই হোক না, কবিতা হলে, মনে হয়, ইস্ এটুকু বললো! কী যেন বললো না। লুকিয়ে রাখলো। ইস্, ছবিটা আঁকলো, গোটাটা আঁকলো না। আঁকলেও বেধড়ক্কা ভেঙে দিল। মোচড়টা মারলো, কিন্তু যতটা মারলে আরেকটু খুলে যেত, সেটা মারলো না, একটু আড়াল রেখে দিল। ধ্যাত্তিরিকা, যে বিন্যাসে সাজালে রহস্যের মোড়কটা কিছুটা হলেও খুলে যেতে পারত, তা যে কেন অন্য তরিকার কে জানে! গভীর খাদের কাছে নিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু ফেলছে না। ফেললে তো হাত-পা ছড়িয়ে কাঁদতে পারতাম। হাওয়ায় হাওয়ায় উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে, মহাশূন্যের দিকে, না বাঁক ঘুরিয়ে দিল। নিয়ে গেলে তো আনন্দে আত্মহারা হতে পারতাম। তো, এভাবেই আমার আঃ, ইস্, ধ্যুস, যাচ্চলে, উফ, ধ্যাত্তিরিকা নিয়ে কবিতায় ঠোক্কর খেতে খেতে যাওয়া। সঙ্গে নিঃসন্দেহে আহা, বা, বাহা থাকেই। কিন্তু তা তৃপ্তির ঢেকুর না। সেগুলি আমার মধ্যে যে সম্ভাবনাগুলো জাগিয়ে তোলে, আমাকে যে নব আবিষ্কারে ঋদ্ধ করে, আমার আহ্লাদে যে সুড়সুড়ি দেয়, আর মননে সৃষ্টি করে অচেনা অজানা ঘাত-প্রতিঘাত, তারই বহিঃপ্রকাশ। তৃপ্তি দূর-অস্ত। তৃপ্তি কোথায় থাকে!

(৩/গ) ছোট কবিতায় কি মহাকাব্যিক ব্যঞ্জনা পাওয়া সম্ভব?

না। তবে মহা-সেন্সেটিভ হতেই পারে।

(৪/ক) আপনার লেখালেখি ও পাঠে ছোট কবিতা কীভাবে চর্চিত হয়েছে?

ছোট কবিতা (আকৃতিতে), আমি টুকরো কবিতা বলতে ভালোবাসি, আমি দীর্ঘদিন ধরেই চেষ্টা করে আসছি। পড়িও। এটাকেই চর্চা বললে, আমি চর্চায় আছি। এখন পর্যন্ত আমার প্রায় সব কটি কবিতার বই-এ ‘টুকরো কবিতা’ নামে বেশ কয়েকটি টুকরো রয়েছে। আর সাম্প্রতিক কালে আমার শেষ কবিতার বই ‘আলোর হাঁসুয়া’র রচনাকালের পরে, গত দু-বছর ধরে প্রায় সমস্ত কবিতাই সিরিজ কবিতা, যার একেকটি টুকরো দুই থেকে সাত পঙক্তির বেশি না। আর একেক পঙক্তিতে শব্দ-সংখ্যাও বেশি নয়। অবশ্য সেক্ষেত্রেও আমার কবিতা-ভাবনা, চলন, ও চিহ্নকে আমি এড়িয়ে গিয়ে চেষ্টা করিনা। আমার যা স্বাভাবিক, তাতেই কবিতা, আকৃতিতে যা ছোট। এভাবে যতদিন উপভোগ করব, চেষ্টা করে যাব। ধন্যবাদ।

(৪/খ) আপনার একগুচ্ছ (৫-১০ টি) ছোট কবিতা পড়তে চাই।

কয়েকটি কবিতাঃ-

শিরোনামহীন

        শুয়ে পড়েছিলে
             ছবিটি রাখিনি…
    
     ফিরিয়েও দিয়েছিলে
            ছবিটি কেন যে রাখি!


    অতিভুজে ফিরি।
        বৃত্তের বাহানা, আজও ভুলিনি…
   
  ভূমিতে দাঁড়াই,
       লম্বে হেলান
 
  ফিরতে পারি না,
     আমাকে পরিধি ক’রে
         অসহ ঘূর্ণনে বৃত্ত …


      যোগ চিহ্নে পথ
 বিয়োগের রাস্তা
         গোসাপের জিভে চেরা…
   
       কোলাজে কোলাজে জল,
  শঙ্খ-ভর এযাবৎ সন্ধ্যা
          নিয়ে এলো বিন্দুটির কাছে…
    
     নিশানা এখন শীতল অথচ কঠিন আগুন…

  বৃষ্টির মিহি ছাড়বে না…
      ধরবেও না…
         ছুঁয়ে না-ছোঁয়া রেখে যাবে
 
 এ বৃষ্টি হল্লাবোল…
    আমার ঘরের ভেতর সিটি…
     
      দলিলের সব ছাপ
        মুছে দেবে খেলতে খেলতে…

মা, যা বললে বিশদ খুলে যায়
                                               

বিন্দু বিন্দু তুমি
   ভেঙে
    এই চোখ ফুটল, নয়ন আমার,
দেখি
     ভাঙায় পূর্ণ তুমি…

শ্মশানে উলঙ্গ বর্ণমালায় ঘি মাখাচ্ছিলাম
         ধোঁয়া, কবিতার নিরাকার দেখালো…


মেয়ে
   কানের দুল
ঝুমকো
    মা সম্ভাবনায় দুলছে

১০
ঘুমোচ্ছো না
   দেখছো
   কোটের বোতাম
         যোনিপথটা খুঁজে পাচ্ছে কি না

১২
ব্যথা
   জরায়ু খুলছে
        পুনঃপ্রবেশ
                              অপেক্ষা…

১৩
একটি রাস্তার নাম মা
   বাঁকেনি শুধু, ভেঙেও গেছে…
        খুঁজে নে হারামজাদা…

কবি পরিচিতি

উমাপদ কর

উমাপদ কর

উমাপদ কর। পিতা- প্রয়াত সতীশ চন্দ্র কর। মা- প্রয়াতা সিন্ধুবালা কর। (যাঁদের বাসস্থান ছিল বর্তমান বাঙলাদেশের কিশোরগঞ্জে। এবং যাঁরা ১৯৪৬-৪৭ এ পশ্চিমবঙ্গে চলে আসেন।)। জন্ম- ডিসেম্বর ১৯৫৫। স্থান- বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ। বর্তমান ঠিকানা- ২৩ এ/৪ ডি, পি, পি রোড। নাকতলা। কলকাতা- ৭০০০৪৭। শিক্ষাগত অবস্থান- অনার্স গ্র্যাজুয়েট, ফিজিক্স। পেশা- রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কর্মচারী। (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত)। অল্পদিনের জন্য হলেও একসময় পারফর্মিং আর্টের সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন। নাটক, থিয়েটার, আবৃত্তি, ভাবনাট্য, নৃত্যনাট্য । অংশগ্রহন করতেন বিতর্ক, সেমিনার, অপূর্বকল্পিত ভাষণ ইত্যাদিতে। একসময় এসব করা নিজেই বন্ধ করে দেন। ভালবাসেন ঘুরতে, থিয়েটার দেখতে, গান শুনতে, চিনে বাদাম খেতে, ছোট মাছ খেতে, বন্ধুদের সঙ্গে দেদার আড্ডা সপান। মনে করেন কবিতাই তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে শত বিয়োগেও। কবিতা ছাড়াও লেখেন গদ্য, সামান্য কিছু ছোটগল্প, আর নাটক।

প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থঃ  ঋতুপর্বের নাচ, কয়েক আলোকবর্ষ দূরে, পরিযায়ী চলো, ভাঙা পিয়ানোর পা, অপর বসন্ত, ধনুক কথায় স্বর, নদীতে সায়ং ভেসে যায়, আলোর হাঁসুয়া, বালুমানুষের ঝুনঝুনাৎ (দীর্ঘ কবিতার সংকলন)।

প্রকাশিতব্য গদ্যগ্রন্থঃ কবি রবীন্দ্রনাথ, আজকের উঠোনে। (আরেকটির নাম ঠিক হয়নি)।

ক্ষুদ্র পত্র-পত্রিকার সঙ্গে সম্পর্ক- যৌথ সম্পাদনা, ‘শ্রাবস্তী’ (অবলুপ্ত)। কর্মী, ‘রৌরব’ (আর প্রকাশ পায় না)।

Loadingপ্রিয় তালিকায় রাখুন!
E