৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪
ডিসে ১৬২০১৬
 
 ১৬/১২/২০১৬  Posted by

কবি পরিচিতি

সম্পিতা সাহা

সম্পিতা সাহা

সম্পিতা সাহা। জন্ম- ১৯৯৫ সনের ১২ই জুন ব্যারাকপুরে। বাবা- শ্রী মদন মোহন সাহা।  মা- শ্রীমতি অমিতা সাহা। বাবার ভারতীয় সামরিক বিভাগে কাজের স্বার্থে ছোটো থেকেই স্থান বদলের জীবন…, তবে বর্তমানে হুগলী জেলার চন্দননগর নিবাসী। শিক্ষা- কৃষ্ণভাবিনী নারী শিক্ষা মন্দির

থেকে এইচ.এস। এখন রিষড়া বিধানচন্দ্রের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী এবং পাশাপাশি নেতাজী মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক প্রথম বর্ষে পাঠরত। শখের মধ্যে গান, চারু ও কারুশিল্প, আঁকা, ফটোগ্রাফি। লেখালিখি- স্কুলে থাকা কালীন শুরু হলেও ২০১৫ -তেই প্রথম প্রকাশিত হয়। বর্তমানে বহু ছোট পত্রিকায় ও বেশ কিছু আন্তর্জাল পত্রিকায় লেখা প্রকাশিত হয়েছে। এখনও অবধি কোনো কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়নি।

সম্পিতা সাহা’র কবিতা-ভাবনা

কতগুলো শব্দ নিয়ে বেবাক খেলা, না কি শুধু… যেক’টা দিন আমরা ঘুমিয়ে উঠতে পারিনা সংশয়ে; সেসবটা লেবুভাতে মেখে সামনে এনে রাখি নিজেরই আর অতি সন্তর্পণে খিদের পাড়াতে বিলিয়ে দিয়ে আসি একপশলা নতুন বৃষ্টি।

যেভাবে কোনো কোনো দিন সঠিক মা হয়ে উঠতে পারি না, সঠিক মেয়ে হয়ে উঠতে পারি না, দুমড়ে মুচড়ে নিংড়ে ভেঙে জুড়ে কখনও কখনও সঠিক শব্দ খুঁজে পাইনা… এ ধরণের আপত্তি বহুকাল যাবৎ এরপর তুলে রাখি একটা আপাতকালীন নম্বরে!

ঘর বদলাই, জানালা বদলায়… ওলট পালট হয়ে যায় ঠিকানা, নম্বর… সাহায্য!
আর মাত্র একটা রাস্তা তখন… খরচও কম, অথচ এখান থেকে ফিরে পাবার মত একটাই অ্যাওয়ার্ড।
কাটাছেঁড়া, রক্ত, কত কালের সাবধানতা, বিহ্বল, যন্ত্রণা, সুখ, গান, খিদের বদলে আদর, পাথর পাথর চোখ, গতকাল রাতের আয়োজন, ডাকনাম, জমানো খেলনাপাতি….অপারেশন!
সাক্সেসফুল ডেলিভারি!
কবিতারাও জন্ম নেওয়ার সময় তোলপাড় হয় রক্তমাংসে… অথচ তোমরা টের পাও?


জার্নি

ফিরে আসতে আসতে জড়িয়ে যায় শালবন…
প্রতিটা উত্তপ্ত হুইসেল
এরপর গল্প ডালমুট,
কোথাও বারতিনেক নোনতা কাজল
অস্থির হয়ে ওঠে সামান্য দূরত্ব দেখে…
শীত পড়ে না ততক্ষণ আর,
পাহারদেশের আলো; অভিমান; সম্বল –
অতঃপর তারা উত্তরাধিকার
একটা অগোছালো চোখের চিৎকারের।
জানালার বাইরে দোপাটির রং
উস্কে দেয় রোদের শরীর!
সারাটা ফিরে আসার রাস্তায় একাদশীর চাঁদ… কলকেফুল
পাখিদের ডাক ঘুমিয়ে পড়ে।
মেঘের ভিতর ঢুকে পড়ে খাপখোলা ঠোঁটের রং আর কিছু প্রজাপতি…
ঘুমতে পারে না সারারাত
হাত বোলানো মাথা।
জলটুংরির গান, সংসারপাতি সব ভিজে যায় জ্যোৎস্নায়…


নিরন্তর প্রহেলিকা

কার্যত এখন ঘুমচ্ছি
যতটুকু আধখোলা মুখ
বুলিয়ে নিচ্ছি
কুয়াশাদের বাদ রেখে…
মখমলের তোড়া
পেয়েছি ঝুঁকে আসায়,
চোখ দুটো
বড় শান্ত।
অথচ আমি ঘুমচ্ছি…
টের পাচ্ছি
ক্রমাগত কাঁদতে কাঁদতে
তোমার শ্রাবণমাস!
শিশুর মত
পড়ে যাও
হয়ত তখন
আচমকা
পাগল হয়ে যাই…


কনভার্সেশন

নেতানো বিকেল শেষ হলে
আলো জ্বলে ওঠে মুঠোফোনে,
অপ্রশস্ত রাস্তা; আঙুল ছুঁয়ে আহ্লাদ, ডানপাশ…
কানে তুলি শব্দ, নিস্তব্ধতায় মোড়া পৃথিবী।
কথা মসৃণ হতে সময় লাগে দীর্ঘ ঝোপ সরে গেলে
কি করেছি; কতটা বাকি; প্রহরে প্রহরে জোয়ার তখন।
প্রবাদ, রক্ত, কাটাছেঁড়া
আর কিছু থাকে না ঠেসান দেওয়ায়…
একটা করে কবচ খুলে রাখি
ছাপ পড়েছে পরিপাটি নিঃশ্বাসে,
একুশ মিনিটের নিঃস্পন্দ ফিসফিস
ভাঙাচোরা শীতকাল…
মীরজাফর আর জুলিয়েটের মাঝে
কখনও কোনো গল্প হয় না।


শহরস্থ

আর চাষবাস হয়নি ড্রেসিংটেবিলে
শীতগ্রীষ্মের সাজপোশাক জড়ো করে রাখা…
আদব কায়দার সবটা শেখা হয়েছে নিঃশ্বাসের।
আয়ব্যয়ের হিসেবটা কতখানি বুঝলে
মাপ ছেড়ে হাত বাড়ানো যায়?


বিকল্প

খেলনাপাতি গুছিয়ে রাখি…
এক এক করে পরিস্কার হচ্ছে চিঠিপত্তর
দেখতে পাওয়া দিনদুপুর, ভিড় তবু নিস্তব্ধ…
মিলেমিশে খামচে ধরে কান, অসংযম!
যতটা রিহার্সাল ছিল বলার
ছোঁয়া যাচ্ছে না তখন চিৎকার…
ফিরে আসি কাগজের ভিতর
সাংঘাতিক সাদা পাতায় ছোঁয়া যায় তো?


কিছুটা আড়ম্বর বিহীন

শহরের বাদামী রাস্তায় গ্যাসবেলুন, অনুভব
ঘুম আসেনা এমন উৎসবের ব্যস্ততায়।
যেভাবে একের পর এক
উদ্যম, আহ্বান, নগরীর মেকওভার
সেজে উঠেছে ঘরবাড়ি…
আড়ম্বর বাদ দিলে
আমরা আবার আমরা।
ভয়াবহ শঙ্খ লাগার আগে
আমরা বোঝাতে পারি অন্তিম নিঃশ্বাস…
নক্ষত্রের মত আলো তো শুধু
চৌরাস্তার মোড়ে না,
এখন আমাদের নিঃশ্বাসের মাঝামাঝি
খয়েরি আকাশও
খুব শান্তিতে ঘুমিয়ে উঠবে মহাপুজোর আগে…


দেখবার মতো যেটুকু রাত                     
 
আমরা আবার সমুদ্র হয়ে উঠছি
চোখে অন্ধকার আর খুললেই ঝাঁপ দেব আরেকবার।

ভালোভাবে রোদ দেখিনি কখনও
হাওয়াদের শুঁকে চিনেছি শীতকাল,
শাদা ঠোঁট জানে
কপালের পুরু হয়ে ওঠা ভাঁজ!

শালুক শালুক চোখের গল্প
ঈশ্বর লিখতে পারেনি…
আমরা তাই
কুয়াশা সাজিয়েছি
হাঁটতে হাঁটতে চাঁদের ঘরে।

ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে
রোদ ওঠে মেঘের ভিতর,
উষ্ণতার বড়ি গিলে ফেলি…
শুয়ে থাকে চুলগুলো পাশাপাশি; মাথাটা নিবিড় বুকে
ঠিক এসময়ই ফাল্গুন, ধূসর চুম্বন, পঙ্গু চোখ মাখামাখি শরীর
ছিঁড়ে যাচ্ছে ঘুম, যন্ত্রণা…

আমরা দেখতে পাচ্ছি দুজনকে।


পাড়া

মফঃস্বলে বেড়ে উঠেছি বাইশটা রাতে;
যেখান দিয়ে যাতায়াতটা…
মুলতানী মাটির মত শুকিয়ে গ্যাছে দুর্বার!
আজকাল বড্ড দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে
সমস্ত সুখ অসুখ, চাপা চাপা…
চোখগুলো কলোনিয়াল চৌকির ভিতর
একটা আটপৌরে পুরোনো রোগ নিয়েই ধুঁকছে!
এরপর শুরু হয় সন্ধে খেলার ধূপ!

অথচ এক পৃথিবী বাহানা এখানেও
খাওয়া না খাওয়ার মধ্যে আছে।


ইতিকথা

রংচটা দেওয়ালের গায়ে পরগাছাদের সংসার
কিলবিলিয়ে উঠে গেছে মাথার ভিতরস্থ হাঁকপাঁক…
ধরো; চিনে ফেলাগুলো আবার সেইমত ভিজে! যেভাবে,
ভয়ের জানলা প্রেম চিনেছে ভররাতের ধারেটারে।
ফিরে আসাটাও সহজতর! ক্রমশ দৃশ্যটা ঘোলাটে;
আলো বাড়ে গুমসুম…
চল না, আরও একবার পাশাপাশি শুই,
মাটি ভিজে ইন আ রিলেশান…কিংবা
ছাতা বনাম রেনকোট!

১০
প্রেষণ

লিকপিকে রাস্তাটা শেষ হতে না হতেই
কোত্থেকে চোখবুজে হেঁটে যাওয়াটা
দুম করে থেমে গেল!

কিছুটা হিজিবিজি আঁক কষার মত…
শুনলুম শহর জুড়ে আজ সব
                                 চুমু খাচ্ছে?
ঠোঁটে অক্সিজেন কম পড়েছে; না…পদবী
ভুলে গ্যাছে মধ্যবয়স্কা!!
কিংবা,
     আকাশ চেটে দেখার সুযোগ এসছে হয়ত –
কদ্দিনের ‘শেলী’র কাছে…

বিষণ্ণতার মত হাতধরাধরি গুলোও
পিটার ক্যাটের সামনে
         হেসে হেসেই চলে যায়…
উবাচ বাকিটা, সেইটা বোধহয়
                          ঘরনী শুধু জানে।

১১
বিকেল

কিছুটা ঝাপসা রং তন্দ্রা ঘুমঘোর
কি সব যেন লিখছে আকাশ ভরে,
যেমন করে স্কুল ফিরে ভাতের গন্ধ হাতে…

আগে
        বিকেল হলে খেলতে যেত!
খুব করে হুল্লোর হাসাহাসি…

মেঘ করেনি আজও অবেলায়…
কিছুটা নালার জল কর্কে লেগে থাকে
আর বাকিটা
কুমিরডাঙা খেলবে ফের ছোটো হলে…

১২
ঝড়

সারা ঘরময় একটা নিম্নচাপ বিলি কাটছিল…
চুলময় সেই হাতের উষ্ণতা,
বাষ্প হয়ে,-
বিকেলে আকাশ’টা মেঘলা…!

আমার রন্ধ্রে রন্ধ্রে সমস্বর, চেয়ে থাকা… সবটা মেঘময়,
শুনতে পাই ক্রমে… দোহার, কোথাও বৃষ্টি হয়!

 ১৩
পর্যন্ত

কত সহজভাবে সন্ধে নামে গাল বেয়ে…স্পর্শ পাস হেঁটে যাওয়ার?
যেখানে চুপড়ি করে; সূর্য বেচে ধোপার বৌ, ততটা বেহদ্দ লুকোবার…!
এই অবেলায় একখানা সবুজ শাড়িতে… লাল-হলুদ গঙ্গা-যমুনা,
পাড়ে সুতো ওঠা কারুকাজ… মুগার শিল্পে ফের বাহানা!!
সেতুর ওপর প্রতিটা অনাদি স্রোত; ঘুরে বেড়ায় কেমন, ঝোঁকের মত…
বাদবাকি অভিবাসন…কিংবা অভিমান, সংগৃহীতের ক্ষত!!

১৪
বাহির বসন্ত

মাঝে সাজে দুপুরটা;
কেমন দাঁড়িয়ে থাকে!
রাস্তা শেষে গেটটা…
কিছুটা জোবস্ ফ্লেভার… অথচ চেনা চেনা!
সন্তর্পণে কান পাতলে –
জোড়া চার্চের মাথায়… প্রেয়ার!
ট্রামলাইনটা পেরলেই
আমাদের চেনা বিকেল দাঁড়িয়ে!
খুপরি দিয়ে দু-তিন মিনিট…আনমন নস্টাল…
পাতা ঝরে গেছে হলুদ বসন্তে
এখন শুধুই হাতে হাত রেখে চলা…

১৫
ইন্দ্রধনুষ

একটা উন্মাদ’কে ভালবেসেছিলুম…
বড্ড বেপরোয়া ছিল!
আমায় বলত-
“ঘড়ি দেখে প্রেম কর কেন?”
আমি বলতুম-
“বেশী বকে তোমার সাথে পাগল না হই যেন!”
কত কিছু ভাবত…
খেই হারিয়ে দৌড়ে যেত!
পিছনে ফিরে তাকাত’না!
আমি চেঁচাতুম- “কি হয়েছে?”
উত্তরে’তে- “কিছু’ই না!”
হায় রে কপাল এ কার প্রেমে পড়লুম!
এ যে পুরোই পাগল!
কেমন করে রাখব এ কে??
খুলব মনের আগল!

সেদিন দুপুর নাগাদ বেড়িয়েছিলুম…
ঝোলা ব্যাগে, উড়ো চুলে
নেমেই দেখি দাঁড়িয়ে আছে!
অদরকারের নিয়ম হেঁকে
আমায় দেখেই দৌড়ে আসে!
“পাগল হলে? এ কেমন করে হেঁটে বেড়াও!
দৃষ্টি বুঝি লোপ পেয়েছে?
গাড়ি-ঘোড়া কেমনে এড়াও!
কত বলি নিজের একটু খেয়াল’টা রাখো!
কিছু একটা হলে পরে …?
আমার কথা শুনবে নাকো!”
কুঁচকে ভুরু আমার দিকে-
“উফ্ উফ্” বলে এগিয়ে আসে!
লাল মলাটের একটি বই-
আমার হাতে ধরিয়ে হাসে!
আঙুল দিয়ে চশমা এটে
বই-এর দিকে তাকিয়ে দেখি
“মেঘা’র জন্য  ইন্দ্রধনুষ”
প্রচ্ছদে’তে আমার ছবি!
কৃষ্ণচূড়া গাছের নীচেই
একনিমেষে জড়িয়ে ধরি!
ওর লেখা প্রথম বই-এ
পরিচয়ের নিবাস গড়ি!
চোখ মুছিয়ে তাকিয়ে বলে-
মারব টেনে গাট্টা এবার!
নিজের গলায় পড়ে শোনাও
সময় এখন তোমার আমার!

আমি পড়লুম-

“উড়োচিঠিতে বিলাস ঘনায়,- আমার প্রেমের থাকাই দায়!
কাজল মুছে; মাত্রা দিয়ে, বন্দী করে রাখতে চায়!
ঘাটের পারে খেয়া বেঁধে আনতে যাব ভোর রাতে আজ…
প্রথম আলোয়, দেখব ওকে; কুহু-কুজন পালক সাজ!
প্রেম’কে আমার কলম দেব; ভাবনা দেব অঙ্গে ওর…
নিশীথ রাত্রী শেষের কালে স্বপ্ন এঁকে খুলব দোর!
ছাতিম তলে বাঁধব ঘর, আকাশ দেখার অঙ্গীকার…
মিষ্টি হেসে বলবে শেষে – ‘এ কেমন তোমার আবিষ্কার!’
থাকব সেথায় দুজন মিলে সমাজ থেকে বহু দূর,
প্রাণের ভাষায় গাইব সে গান, প্রেম’ই হবে প্রধান সুর!”

ওকে আমি বুঝতে পারিনে!
সত্যি’ই পারিনে!
আমায় নিয়ে এতো ভাবে
তবু মুখে কেন বলেনা?
এলোমেলো ভাবখানা সেই
ঠিক চিনেও চেনেনা!
ফোন’টা দেখে হটাত বলল-
খেপি এবার উঠতে হবে!
রিহার্সালের শুরু আজ’ই
পরশু আবার দেখা হবে!
বিদায় নিয়ে উঠল শেষে…
ফিরে এল খানিক হেঁটে!
‘কি হয়েছে’ জিজ্ঞাসাতে-
মুচকি হেসে আবার ছোটে!
আস্তে যাও… দেখে দেখে…
বলতে বলতে একটা শরীর
পায়ের কাছে ছিটকে পড়ে!!
লাল মলাটের বইটা হটাত
লালের ওপর হুমরে পড়ে!
বুক পকেটের কলম’টা সেই
বুকের ওপর জড়িয়ে আছে…
লাল ফোয়ারার তমাল ঝড়ে
আমার তখন ঘোর’টা কাটে!
দৌড়ে গিয়ে আগলে ধরি…
কি একটা ও বলতে চায়!
পেন’টা নিয়ে আমার হাতে
মুঠো করে ধরিয়ে দেয়!!
আগলে ধরে মেঘবালিকা,
মরতে মরতে বাঁচতে চায়!
আলগা হওয়া হাতের মুঠো
নিয়ম মেনে যাওয়ার দায়!

ফাল্গুনের পাতাঝরা গাছের নীচে,
লাল কৃষ্ণচূড়ার মাঝে;
আমি ওকে আমার মত করে পেয়েছিলুম!
কি শান্তভাবে আমার কোলে শুয়েছিল…
আসলে বড্ড দুরন্ত ছিল কিনা,
তবু আমার কথা শুনেছিল!
ওর কলমের রঙে বাকি ইন্দ্রধনুষ’টা,-
আঁকছি বসে!
কখন আবার হামলে পড়ে…
অপেক্ষাতেই আভাস খোঁজে!!

Loadingপ্রিয় তালিকায় রাখুন!
E