৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪
ডিসে ১৫২০১৬
 
 ১৫/১২/২০১৬  Posted by
রোকন জহুর

রোকন জহুর

কবি পরিচিতি

রোকন জহুর- শূন্য দশকের কবি ও ছড়াকার এবং ফটোগ্রাফার। মা- জাহেদা সামাদ ও বাবা- আব্দুস সামাদ মিয়া। জন্ম- ১৯৮৪ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা জেলার গিদারী ইউনিয়নের সরকার বাড়িতে। লেখালেখির পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিভিশনে বিভিন্ন ধরণের অনুষ্ঠান গ্রন্থনা-গবেষণার কাজ করছেন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও বিদেশ ভ্রমণ এর মাধ্যমে নিজেকে আরও পরিচিত করে তুলেছেন। ইতিমধ্যে তিনি ভ্রমণ করেছেন- ভারত, নেপাল, ভুটান, ইরান, চায়না, হংকং, কোরিয়া, ইউক্রেন, রোমানিয়া ও মলদোভিয়া। তার প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয় ২০০১ সালে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীতে জাতীয় নাট্যশালায় কর্মরত আছেন। তিনি মলদোভিয়ার  পার্সপেক্টটিভিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে ট্যুরিজম -এ ব্যচেলার ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

কাব্য গ্রন্থ

    প্রিয় প্রিয়া ও প্রেম- ১ম (২০০১) ও ২য় (২০০২)
    আমি তুমি তদ্রুপ (২০০৩)
    নীল কষ্ট এবং ভালবাসা (২০০৪)
    ভালোবাসার সেতু বন্ধন (২০০৪)
    সবুজের পাশাপাশি নদী বয়ে যায় (২০০৫)
    অপরিপক্ক¦ ফাগুনের গল্প (২০০৫)
    নষ্ট করার পস্ট ভাষা (২০০৬)
    ভালোবাসার সেতু বন্ধন (২০০৬)
    প্রেম পদ্য-১ (২০০৮)
    প্রেম পদ্য-২ (২০১৬)
    যদি ঘৃণায় ফিরিয়ে নাও মুখ (২০১৬)

ছড়া ও কিশোর কবিতা

    দাদুর বাড়ি নানুর বাড়ি (২০০৫)
    পরীর ছড়া (২০০৬)
    পরী ও রাখাল রাজা (২০০৭)
    স্বপ্নে আঁকা গ্রাম (২০০৮)
    পাখি ও নদীর দেশ (২০১৬)

সম্পাদনা
    বাংলাদেশর কবিতা ( বাংলা সহ ৫টি ভাষায়) (২০০৪)
    বাঙ্গালীর অপর নাম শেখ মুজিবুর রহমান কবিতা গ্রন্থ ( বাংলা সহ ৭টি ভাষা) (২০০৭)
    উর্দ্দু প্রেম বিরহের শের-শায়েরী (২০০৭)
    সার্কের অর্ন্তরভুক্ত দেশের কবিতা অনুবাদ সহ (২০০৮)
    নির্বাচিত ১২ জন কবির ১০টি করে কবিতা ইংরেজি অনুবাদসহ সম্পাদনা (২০০৫)
    দুই বাংলার প্রেমের আবৃত্তিযোগ্য প্রেমের কবিতা (২০০৭)
    দুই বাংলার শ্রেষ্ঠ হাসির গল্প (২০০৮)
    দুই বাংলার  শ্রেষ্ঠ ভূতের গল্প (২০০৮)
 
অডিও ভিজ্যুয়াল সিডি সম্পদনা ও প্ররিকল্পনা ও প্রকাশ
    বাংলাদেশে প্রথম কবিদের স্ব-কণ্ঠে কবিতা অডিও সিডি প্রকাশ
    বাংলাদেশে প্রথম কবিদের নিয়ে ভিডিও সিডি প্রকাশ
    দুই বাংলার শ্রেষ্ঠ ৪০ কবির কবিতা অডিও ভিডিও সিডি প্রকাশ

একক কবিদের স্ব-কণ্ঠে কবিতার ভিডিও সিডি প্রকাশ
    কবি ইউসুফ রেজা
    কবি রবীন্দ্র গোপ
    কবি আসলাম সানী
    কবি নাসির আহমেদ
    কবি বেলাল চৌধুরী
    কবি কাজী রোজী
    কবি আফরোজা অদিতি
    কবি নিতাই সেন
    কবি সরকার মাহবুব
    কবি সালেম সুলেরী

রোকন জহুর -এর কবিতা-ভাবনা

আমার একান্ত কষ্টের প্রিয় বন্ধুর নাম কবিতা। কষ্টের নীল বেদনা থেকে বাছাই করি এক একটি শব্দ। শৈল্পিক কায়দায় পাশাপাশি প্রতিস্থাপিত স্বতোঃস্ফূর্ত শব্দগুলোই কবিতা হয়ে ওঠে। জীবনবোধ ও বাস্তবতার স্বচ্ছ নিরীক্ষে কেউ কেউ কবি হয়ে ওঠেন; পাঠকপ্রিয় মমতায় স্বাপ্নিক নাবিকের ভূমিকায় অধিষ্ঠিত হন কেউ কেউ। তারাই সমাজে ও বাস্তবতার উঠোনে ছড়িয়ে দেন আলো; আমিও সেই পথের একজন নাবিক।

রোকন জহুর -এর কিছু কবিতা


এলিনা-৫

কৃষ্ণ সাগরের তীরে স্বপ্নে বিভোর
মৃম্ময়ী হয়ে হেঁটে যাও নিরুদ্দেশে একাকী
দূরের আকাশ থেকে ঝিরঝিরে বরফ
বৃষ্টি ঝরছে-
তুমি বৃষ্টির রঙে মিশে যাচ্ছ প্রকৃতিতে
গোপনে আপন হয়ে চেয়ে দেখি
সেই সব…

এলিনা কোন অধর রেখেছ ঠোঁট
দ্রাক্ষার জলে ভেসে যাই–
জারণ-বিজারণের  খেলা জানি না
শুধু জানি; দ্রবণে দ্রবিভূত হলে
তুমি শনাক্ত করবে
আমার  মৌল…

এখনও কৃষ্ণ সাগরের পাড়ে এলিনা!
ফিরে তাকাও বিজ্ঞ মাঝি হলে
হাল ধরে বসে আছি–
তোমার স্বাপ্নিক সাম্পানে–
কোন দীধাকে পরাজিত করে
হীম কৃষ্ণসাগরে মিশে যেতে পারও
            বুকের জমিনে…

এলিনা ফিরে তাকাও বেলা বয়ে যায়…


এলিনা-৭

ধূসরকণ্যা এলিনা
এখনকার এক একটা দিন- এক একটি রাত
জীবনের গল্প হয়ে দাঁড়ায়
কেউ না দেখলেও তুমি বোঝ তুমি দেখ
         কেন এত দ্বিধা
মাঝে মধ্যে চাঁদ এসে ধরা দেয় হাতে
অন্ধকার চলে যায় নিমিশেই
        বহুদূর মনে হয় পৃথিবী থেকেও
                অনেক দূরে…

এলিনা  
জীবনের জীব গাড়িটা কৃষ্ণ সাগরের পাড়ে
        এসে থেকে গেছে
সাইড গ্লাস খুলতেই
অজস্র বরফের মধ্যে তোমার মুখ দেখতে পাই
কখনও হাস কখনও একা একা হেঁটে যাও
        দূরের ঠিকানার খোঁজে…

এলিনা
পৃথিবীতে আর মাতাল হাওয়ায় ভেসে চলি
দিনমান যেন কে কোথায় টেনে নিয়ে চলছে
তোমাকে দেখি পাশাপাশি হেঁটে যাও সমান্তারল
কখনও কী বলবে এটাই তোমার
            বাড়ির উঠান…


এলিনা-৯

কোন রঙে তোমাকে সাজাব
সেদিকে তাকাই ধূসর বরফে প্রিয় মুখ
         ভেসে ওঠে-
কী  অবহেলায় রেখেছ আমাকে
বাইরে বৃষ্টি ঝরছে বরফকুচি
শুধু একবার দেখে যাও
এই শীতে কতটা এক হলে নিজেকে
            নিঃশ্ব মনে হয়…

তোমার দিকে তাকাতে পারি না বলে
অনেক ভুল হয়ে যায়– আমার সরল রেখা
মনের গভীরে জন্ম নেয়
         স্বপ্নতষকর–
প্রকৃত গভীরে যাওয়ার আগেই ভেঙ্গে যায় সব…

কতদিন তোমার সাথে পথ হাঁটি না
বাইরে তুষার ঝরছে–
কুচিকুচি নরম বরফে টলটলে করছে
         তোমার প্রিয় মুখ-
ধরবার আগেই মিলিয়ে যায় অতলে
তুমি তো জান অতলে ডেকে আছে
        আমার পৃথিবী…


একটি চুমু

চুমু খেতে চাওয়া
তুমি আড়াল করেছিলে মুখ
        দশ আঙুলে
সমস্ত শরীর লজ্জায় কাঁপছিল
ঠোঁট স্পর্শ করতে চাওয়া
তুমি নিজেকে কুঁকড়ে গিয়েছিলে নিমিশেই
লজ্জায় অবনত চোখ– মুখে কোন রা নেই
ঠোঁট কেঁপে উঠেছিল না বলা ভাষায়…

তোমার হাত ছোঁয়ায় দেখছিলাম নতুন
উন্মাদোনা বারবার ফোপে উঠেছিলে তুমি
দিগন্তের দিকে তাকিয়ে কী যেন ভেবে ছিলে
        বলে ছিলে আর না
দু’চোখে গভীর স্বপ্নের আঙিনায় উঠেছিল
একটি অবিশাস্য প্রহর…

তখনও  আমাদের কথা শেষ হয়নি
সূর্যাস্ত তখনও তার বাড়িতে পৌঁছাতে
অনেকটা দেরি
তুমি ও আমি শুধুই একা…

একটি বিছানা বলছিল তোমরা শুধুই একা
বালিশ খলখলিয় হেসে উঠেছিল
     যেন আর থামেনা তার হাসি
বলেছিল কি হয়েছে তোমাদের–
আমি তখন জানালার কাছ দিয়ে পায়েচারি করছি
ষোড়সী জ্যোৎনার আলো
আমাদের বিছানায় এসে পড়ছিল সেদিন
তুমি লজ্ঝায় নিজেকে করেছিলে অতুলনীয়
মৌন সম্মতির কাছে হেরেগিয়েছিল আমার
বাকরুদ্ধ বিবেক…

স্বপ্ন ভেঙ্গে গেলে পড়ে থাকে খালি বিছানা
ক্ষীণ সময়ে পেয়েছিলাম বলে
বহুদূরের ঠিকানায় হারিয়ে ফেলেছি-
চিরকালে জন্যে…


কোন একদিন

ঠিক  কোন একদিন
আমরা এঁকে অপরের কাছে অপরিচিত হব
নতুন কোন স্টেশনে
আচমকা চোখে- চোখ পরতেই
ভেসে উঠবে হৃদয়ের মনিটরে
স্বাপ্নিক ভালোলাগার কিছু পুরনো
স্মৃতি…

মনের অজান্তেই বহুদূর যাওয়ার ইচ্ছে জাগবে
            সমান্তরাল
যুগলবন্দি হয়ে কাটাবে সময়
দিন-রাত মাস, বছর ও শতাব্দী
মনে হবে তোমার অভিমুখে আমার নতুন যাত্রা
            চিরকালের…

মনের আঙিনায় নদীও কাছে এসে ফিরে যাবে
            অবলীলায়
আমিও নদী হয়ে পিপাসার কাছে ফিরে যেতে চাই
কিছু কথার লেন দেন থেকে খুঁজে নিব
        সময়ের অবস্থান-
বিবেকের কাছে নতজানু হবে হৃদয়ের অব্যক্ত তৃষ্ণা…

মানে ঠিক যেন বাড়ি ফেরার
পথ ভুলে গেছি-
যেভাবে আকাশ থেকে একদল পাখি
দলছুট হয়ে যায় একা একা-
মনের দুর্বলাতার কাছে ফেরাবনা
সুন্দর সকাল…

নতুন আরাধনার কাছে একটি স্বপ্নই
তুষের অনলে পুড়ে হবে ছাড়ছার
নিখুদ কারিগরের মত কথার জাল বুনে যাব
শিক্ষানবিস নাবিক হয়ে–
সময়ের গিট থেকে একের পর এক
        ঝরে পড়বে মনের কথা…

কথা ও হাসির ফাঁকে ফুটে উঠবে
কষ্টের সুক্ষ্ম কারুকার্য–
স্টেশনের শেষ প্রান্তে মনে হবে
ভুল পথে কোন একদিন দেখা হয়েছিল
         কোন এক অচেনা পথিকের…


যে স্বপ্নে  ভেসে চলি

সবুজ অরণ্যে হাড়াতে চায় মন; বলেই –
জীবন কোথায় কেমন
কেউ কোনদিন ভাবতে পারেনি;
শুধু ইশারায় ডেকে যায় যৌবন–
অবেলার মাঝি
কতদূরে ফেরাবে তোমার পাল
মধ্য দরিয়ার মাঝে
নিদারুণ হতাশায়
কেঁদে ওঠে বুক…

এই তো সেদিনের সকাল;
দাড়িয়াবান্দা, গোল্লাাছুট খেলায়
মেতে ওঠা কিশোর–
রঙিন ঘুড়ি উড়ানোর মাঝেই
সময় পেড়িয়ে গেছে কখন!
কেউ তা যানে না–
ক্রমানয়ে বিবেকও বেড়ে ওঠে…

তোমাতে তুমি হয়ে
থাকার সাদ ছিল পুরোনও
বৈশাখি ঝরে ভাঙ্গে
পাখির পালক
মনও ভাঙ্গে দিনের পরদিন–
এভাবেই মুদ্রা অচল হয়ে যায়
মনের অজান্তে…

চৈত্রের খরদাবদাহে ভেঙ্গে যায়
হৃদয়ের জমিন–
একটু বৃষ্টির ছোঁয়ায় জেগে ওঠতে পারে
যখন তখন;
কচি ঘাঁসের নতুন পাতায় পাতায়
বসবে রঙিন প্রজাপতি…

আবারও শরৎ এর শিউলী কুড়ানোর
ছলে খুজি ফিড়ি
খেজুরের রস!
যদি সোনালি আলোয় ভরে ওঠে
জীবনের সকল উঠান…


প্রেয়সীর চিঠি
    
স্বপ্নের দুয়ারে যেতে চাই বারে বার
কুয়াশা কাটেনি তাই নিরেট আঁধার
এখন এসেছি কাল শুধুই কাঁদার
দূরহ হউক পথ হতে হবে পার।
স্রোতের ধারায় ভেসে যাই দূর দেশে
সবুজ অরণ্য আর শুধুই পাহাড়
কখনো ভেজানো চোখ অনিদ্রা আহার
স্বপ্নগুলো এলোমেলো আধাঁরেই মেশে।

জননী প্রেয়সী প্রতীক্ষায় অবিরত
অশ্রুজলে প্লাবিত প্রণয়ে প্রাণঞ্জল
দুটি চোখে মনে পরে সেই অবিকল
নিমিশেই ভুলি হৃদয়ের সব ক্ষত।

জেগে উঠি প্রকৃতির নিয়েমরে বানে
গুল্মে-ফাল্গুধারা আজ সকলের প্রাণে।


পাখি আকাশ ও নদীর গল্প

দূরের কোন গল্প শোনাতে চাই না
        পাখির গল্প- নদীর গল্প
            আকাশের গল্প
আর- তোমার সাথে আমার গল্প…

প্রতিদিনের মতো সেদিন সকাল
    আরাধনায় ছিলাম
    চোখে চোখ পরতেই হেঁসে
            উঠে ছিলে
অমৃত্য দ্যূতি ঠোঁটের কেণে ভেসে উঠতেই
লজ্জায় লুকিয়ে ছিলাম- নিজেকে
            আসলেই কী
                 সেই আমি…

এতো সৌন্দর্য লুকিয়ে থাকে
        মানুষের ভিতর
সে কেউ নয়- সে তুমি আকাশের কাছে
প্রশ্ন করে ছিলাম- তোমার বিশালতায়
            আমাকে নেবে
         সে তোমার কথা বলে ছিল
তোমার ভাবনায় আকাশ পরাজিত হয়ে ছিল     
বারংবার…

তোমাকে না দেখায় পাখির কাছে
        বলেছিলাম কেমন আছ
পাখও হার মেনেছিল তোমার সুরের কাছে
এতো আনন্দ ঝর্ণায় অশ্রু বৃষ্টি হয়েছিল
                 সেদিন…

নদীর কাছে প্রশ্ন করে কোন উত্তর পাই নি
বয়ে ছিল নিরবে নিরবধী
        ক্ষীণ ঢেউয়ে ঢেউয়ে
তোমার দুঠোঁটের  ঢেউ সেদিন
পরাজিত হয়েছিল এই বিবেক
বিবেকের কাছে স্বপ্ন হয়েছিলে তুমি
সেই স্বপ্নের কাছে বন্ধি হয়ে
            এখনো জ্বলছি…

পাখি আকাশ কিংবা নদীকে
খুব কাছে পাই না
তুমি বোঝনা তোমার আকাশে
    পাখি কিংবা নদীতে
         ভেসে চলি দিনমান…


তুমি বললেই

তুমি বললেই যাব- এমন কোন কথা নয়
ফাগুন এলেই- রঙিন হবো
    কিংবা শ্রাবণের অঝর বৃষ্টিতে ভিজব
            এমন ভেবে লাভ নেই-
অন্যের সাথে তুলনা করোনা কখনও
আমি যে মাঝি আমাকে বাইতে দাও
            নিরুদ্দেশের যাত্রা…

তোমাদের যাত্রায় সঙ্গী হতে চাই না
বাঁধাও দেবনা কোন দিন
    বুঝেনিও কত ফাগুন এসে গেছে নিরুদ্দেশে-
খোঁজ রাখেনি কেউ কারও- দূরের দেশ
আপন আলোয়
স্বপ্ন রঙিন- স্বচ্ছতায় ভেসে ওঠে কার যেন ছবি…

কারও ডাকে কেউ যায়না কোন দিন
মন- ¯্রােতে ভেসে গেলে
         বেঁধে রাখা যায় না তারে
কেউ ডাকলেই যেতে হবে এমন কোন কথা নয়
            মনের অদৃশ্য ডাকে
ভেসে যায়- শুধুই ভেসে যায়…

Loadingপ্রিয় তালিকায় রাখুন!
E