২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৪
নভে ১৯২০১৭
 
 ১৯/১১/২০১৭  Posted by

রিফাত বিন নূরুল-এর কুড়ি কবিতা

ঘোঁৎ ঘোঁৎ তনখা

যথাবিহিত কারিকরি দেহী করে
দেগে দেয়া মন। ঘনঘন ঘটে এমন
জাঁকজমকপূর্ণ প্রাণে হওয়া যায়।
দ্বিপুটক কাছি বেঁধে হারা-কীরি, সন্নিহিত
সংক্রামক তাস খেলার রঙ ধুদ্ধুড়ি নেড়ে
দেয়া সুকর, সাড় সাড় করে তোমাকে
রুহিতন তঁহি, ব্যাধ—
গ্রেফতার করতে চাওয়াকে খাঁকতি।
যে লাঠিতে আঁক কাটা থাকে, ধূপ করে
              ঘড়া মকদ্দমা প্রমা
                     প্রমাদ খুলে
                              গোপনপাতক
             বেঘোর অনুস্থ তন্ত্র
যে লাঠিতে টেনে লেখার দ্রুত,
সাড় সাড় করে তোমাকে আমার আছর
                                                     খাই
যেভাবে আমি মিশি থোয়া আছে।
বাগবাহুল্য ডাসডাসি, একটুর জন্যে দলা
ভেঙে যাওয়া-আসারূপ দৌড়াদৌড়ি
                     টুস্কি মারা খাওয়ায়।
নমুনা, শিশুরা সার্কাসের ক্রীড়া
                                        নর্ম।

 

ব্রেইন ড্রেন

তোমার অনেক ঢল, শ্রী। তফাৎ
শ্রীঘরের ন্যায্যতায়, এছাড়া ফাঁকি
দেয়া প্রসূতির। উলম্বে থাকা ফ্যানাডো
অনেক ঢল যেহেতু, তোমাকে আমার
জুলপি এবং জিপসির ঢক পর্যন্ত মিতা।
অস্তিত্নে দাঁড়িয়ে থাকা, মাত্র—
স্বতন্ত্র শ্বাস।

 

পিঁজা

দেহের অনেকটুকু ঠক
খপুষ্পের দিকে ঢেলে
দেই। ধুননে মটাৎ—
নিরঙ্কুশ একা থাও পাই
                 উরঃফলকে
                          সত্বর।
দপ করে ভাঙতি যাওয়া,
সংজ্ঞা হারানো। এতো করে
হাসছে সংগর, তক অভূতপূর্ব
নিপা সমাচ্ছন্ন। কুটিকুটি।
নিমকি লেপে থাকে উস্তংখুস্তং করা
যদ্যপি, ম-ম করা নিহানে অনর্গল
পাশে বাড়ি হয়ে আছো।

 

আখরকুরা ফুঁ

বাছা, তোমার ভেতরে
ভক্ত। বুক আর হাইমেন,
থলি নাই। লেখচিত্র করি
এক অঙ্ক এযাবৎ ফুল
ধরার—
                ঝোপ করে
                    জনৈক।
খিলাড়ি খিঁচ, দ্রুতগতিতে
                   ছলাৎছলাৎ।
চোখ থেকে লজ্জা করছে না
                                  ও মা
গিধড় শ্রেণীর—
একঘরে বাসি হয়ে থাকাটা চালাকি।
একহারা ছা। একাই বেজায়
                           হাসে
            ষৎ অক্ষম।
গা এলিয়ে দেয়া হাঁ
ফেড়ে যাচ্ছে শণের ফাঁক হওয়া
মতন। নিধন এঁটে যাচ্ছে ও হো,
যোনিসম্ভবা। মনের আগ বাড়া
চোখে শিরশির খুশি নাভাবেই কত
কু সংখ্যাপাতকারকে, হরি রে—
তখন তোমার একটা হাসি আসে স্ত্রী
                                     এন্টিলোপ।

 

এনথু

তোমাকে মোতাবেক,
দ্রবে যাওয়া হায়ন। যাবৎজীবন
তোমাকে, ওতপ্রোত। স্বাদ তন্ন
তন্ন করে দেখো, পানা যাবৎ
দৈনন্দিন তোমাকে।
তুমি, হিড়িক করে বুকে—
তোমার আকাল শংসায়
              হরিকে, ছুতায়।

 

মদ

অন্তত মানুষ তফাৎ
দূরে, উড়াল ঢঙ যেনো
পাখিদের নগদ মুছে ফেলা।
প্রলোভন হতে চাইলে
বিড়বিড় করে উঠে গা ঝারা।
মুখের হা
চিৎকার যেনো পাহাড় থেকে
ধাক্কা মেরে পড়ে যাচ্ছে

 

২)

ততোধিক স্তন অত্যন্ত ফল
ছিপি ভর্তি।
খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত মূল,
করিতকর্মা। যারা নিলয় সদুপায়ে—
একই পিতামাতা জাত।
তুমি জলজ্যান্ত দূরে চলে যাও।
শরীর, নানান বাহনে।

 

৩)

টসটস হচ্ছে মুমূর্ষু
কোঁদালগুলো কেটে
নিচ্ছে, আয়াত।

 

৪)

ফসকে যাওয়া মাথা
থেকে, পায়ের তালুতে
নিরিবিলি হতে থাকে
দৌড়।

 

অলস বাবুগোছের লোক

কোনো কিছুর একটানা অভাব আছে এভাবে অধ্যবসায়ীর হাঁটু গেড়ে বসে আছি। ঘোঁটে থাকা গরগরের যে দেহকে, বহুবিধ কথায় ভুলাই উতলে যায়যায় হাঁড়িকুড়িকে! রপ্তানি যাওয়া নেই নহর নেই প্রচুর চোরাচালান থেকে আছি যাবতীয় মরশুম। তল্লাশ করি তন্নতন্ন, নবনীকে ধাক্কা দেয়ার ধুম করে উঠে, বাতিল যারা করে আছে উঠোন! নিটালে তদা, খারপা যাওয়া হাতের মেলে দেয়া ছুড়া। ভব থাকতে চাওয়া হেয় করা অথবা জ্ঞান করার স্কোর হচ্ছে একমাত্র পারঘাট।

 

যেমন ইন্সপেক্টর

সুরৎ আঁকা। সমূলে যে ঢপ, ভার অপহরণ করা
খুবানির নিচে পড়ার থেকে। অত্যল্প নির্মোক থাকা
যা কিছু পঙ্কিল, অর্থাৎ মানুষের অসীম, লটারিতে পাওয়া এইরকম যতটুকু তাদের সুরৎ। কলুষ ছাড়া স্বভাবের যারা, উত্তোলন করতে থাকে চিৎকার আর আগর। সপুষ্পক উদ্ভিদের সাথে তুলনা করে বহুদূর শুনতে পেয়েছি।

 

ওবেসিটি

পিপা গোছগাছ থেকে, তকরার যে প্রলোভ সদন মেখে যাচ্ছে খলতায়। তকমা বহির্ভূত অধিবাসী হয়ে থাকা কিমাকার সনির্বন্ধে হয়ে উঠে চড়ষুঢ়। ট্যান্ট্যকলের দ্বারা  প্রাণবন্তকে কুলীন উদাহরণ সেরেছে জাঁতি পরিবেষ্টক। ঘোঁৎ ঘোঁৎ। পর্ণমোচীর হাতেনাতে সাথে আছর খাওয়া, বদ্ধপরিকর হাঁ। অবিকার ছত্রে, অনর্গল তাকত আছে প্রকারের অন্নবিকারে যুতসই থাকা।

 

১০

আর্তি

শর। মাটাম থেকে ছুড়ে আসে।
উদ্বিগ্ন যতোটুকু পর্যঙ্ক হয়,
যতন হয় আমার, শর করে যায়।
মাটাম থেকে ছুড়ে আসা—
                          ঘনতর লুটেরা!
অ-ভৌত পদার্থ।
দৃঢ় তল হও, বুদবুদ যে বহিঃকঙ্কাল তোমার,
কলোনি তৈরি করো, দৃঢ় তল হও।
এমন অনুভূতি কেমন, অ-ভৌত পদার্থ,
টের পাচ্ছি আমি—
                                যতসম্ভব মানুষ।
                                যেখানে—
মাটাম থেকে ছুড়ে আসা শর ঘনতর লুটেরা।
                                                প্রতিবিপ্লবী।

 

১১

চিত্রোপম

ঢের দস্তখৎ অথবা যথাযথ খরচের
সংবিৎ হারানো, রাং। কাগজের হোক
অথবা যেভাবেই থাকাকালীন বরং
হর গুলো সাঁজাই। দেহের কান্ড করা,
প্রচুর সরবরাহ করে একমত হওয়াকে
যখন পশুপাখিদের মধ্যে একজোড়া
স্ত্রীপুরুষ একটি—

 

১২

ড্যানোমিনেটর

জোর দেবার জন্যে ব্যবহৃত
প্রাণীহত্যা করছে, যারা পুরুষের
গায়ক। আড়দিকে হরিণের খেলোয়ার—
মুদারার ধৈবতে, নির্জলায়।

 

১৩

পাইরেক্সিয়া

তায়তুই করছি
এঁটে যাবো
মানসিক ভেতরে
নগদ দেহ পর্যন্ত
আলাতুনি

 

১৪

রাকল

বৈঁচি তার বৈরাগী
                     উহ রাকাত
                     কু ঋণ করে
বৃত্তি,  টিকসই আঁকছে
একমুখ হুল।

 

১৫

গার্ডিয়ান

স্থির হয়ে কখনো সুর বাজে না।
পলাতক হতে হয় নারীর গোপনের মতো।
যতক্ষণ ধরে বাজি,
নারী তোমার দেহ
আমার মধ্যে নাচে। বাজে। নামৃত্যু।
নাচেরও তো ওম হয় আমাদের দেহে।
যেমনঃ নাচের উপর  বসে আছে কুহক।

 

১৬

ওঁন

নিঃশেষে বিভাজ্য
ক্ষেত্রে—
জিহ্বায় স্বাদমত
                ঠেঁটা।
নিড়ানো ভাজক
          আকাঠা।
লোফা খুঁতমত
             ফাড়া
                     মিথুন পর্যন্ত পরিজ্ঞাত
                     বিশিষ্ট ফাইটা আছে
                     হাই তোলা কবলে
                                    ঢোঁক
                               বলান
নই টানা হাসি, মালুম
নাই— জের তাই গাল
ফোলা ছাই। তাওয়া
গগলসে নাই, মিটমাট
ধরে আছে দাড়িয়াবান্ধা
ঠাই।

 

১৭

সিভিট

উটকোর বারো’টা
দফারফা চালছে
উইচ। জালভর্তি
ছিদ্রে, নিতান্তপক্ষে
মাছের চালাক দেখা
দেখি করে। ড্রয়িং
কালির চলছে,
রাংতা সেজে আছে।

 

১৮

টাঁকা

তর সইতে বহুত ঠকে যাওয়া মানুষেরা।
                                                 সম্বরা।
এদের ব্যবহারবিধি—
একজন মহিলা সমকোণে শুকায়! সূর্যে।
অতঃপর
থিতু দেখা যায়, ফেঁসো—
তাড়া খেয়ে। কাফনের কালারের পাখিটা।
কত উপায়ে তাড়ানোর অভ্যেশ মানুষের—

 

১৯

মনোগ্রাম

স্তনের উপর ভদ্র
আচরণ ফেলে যাচ্ছে স্মৃতি
পাখি শিস দিলে নিপল দাঁড়ায়
বুকের ভেতর ছয়টি ছিদ্র
বাঁশি রকম করে আছি
ফুঁ দিলেই তেড়ে উঠে
টগবগ টগবগ

 

২০

অনুলোম

নিবদ্ধ হয়ে আছে প্রত্যক্ষে থাকা পলিপ, কৃশতাপ্রাপ্ত রেত যতোটুকু পৌছে দিয়ে গেছে আমার নিঃসরণ! এবং দ্রব হয়ে যাওয়া ভাঙন এই ধনুকের জ্যা— ফেনসদৃশ ত্বকের ভৃতি, প্রতিপাদন করে যাচ্ছে প্রাসের মতো। বহিঃস্থ কোণ থেকে, অজর আধেয় যেমনঃ বাস্তুসংস্থান প্রক্রিয়ায় ভাগ্য বলে আমাকে নৈর্ব্যক্তিক করবে না। নিরত আমি, একটি ঘোড়ার দৈর্ঘ্য মূলত প্রতিটি তৃণের দিকেই
বৈবস্বত হেঁচকায়, অইরান
ণিজন্তে—
                       যকের ধন
                               মনপ্রতি।
                                      সাঁ-সাঁ যেনো।
Loadingপ্রিয় তালিকায় রাখুন!
E