৪ঠা অগ্রহায়ণ, ১৪২৪
অক্টো ২৪২০১৬
 
 ২৪/১০/২০১৬  Posted by
কবি বারীন ঘোষাল

কবি বারীন ঘোষাল

কবি বারীন ঘোষাল -এর একগুচ্ছ কবিতা


ইন্দ্রবাবু অংকস্যার

কাম অন এভরিবডি … চোপ … ইস্টিকুটুম … একাংশি কাক … বৃন্দাবন … গ্রেট অতি … অতিসুর … ভোলামন … মোমদিল … আর একটু চাউমিন … জলবাদক … ফসল অসফল … হরাপতন … ঘুমপথ …

শব্দগুলো গলগল করে বেরিয়ে এল। টুকে রাখলাম। তারপর এদের ইমোটিভ কাউন্ট অনুযায়ী মার্ক দিলাম … ০,১,৭,৫,৯,৮,৩ … অংকস্যার শিখিয়েছিলেন। সেই কাউন্ট এর সিরিজের ম্যাট্রিক্সে একটা ইন্টারপোলেশন করলে নাকি শব্দের সম্পর্ক রেখারা ফুটে উঠবে। তখন পিপাসা পাবে সেই কবিতার শীতল। স্যারকে দেখালেই বুঝিয়ে দেবেন। এরপর আরো …

ফ্যামিলির পুরণো লোক … গাড়ি নোগাড়ি … পান করা কাপ … মাথায় কভার করা … শিশুপিতা … টোল গাল … মিয়াঁর টোড়ি … দোল দোল মধ্যম … কথায় প্রাচীন শত্রু … কনুই চুলকোচ্ছে … প্যারাসুট লাগানো ধীর … ভাষায় মস্তানি … ক-এ কসম কেবল … বর্ণপরিচয় দেয়া রং … কিশোরী মাদের গুলতানি … ফ্যানি কাউন্টারপার্টস … বেগুনি লিপস্টিক … গেঁথে তোলার লাঠি … ব্রেক —

নম্বরগুলো হল ০৪ – ১২ –১৯৪৪ থেকে ০৮-০৪-২০১৩ পর্যন্ত একটা বেশ বড় লিস্ট। বোওঝা গেল না। ইন্দ্রস্যারকে দেখাতে হবে …… ।

 


জলনদী

 

একা জলনদী

আঁকা বাঁকা তরলরেখার দরগা

মেঘগাছ-ফুলে পরশ শব্দ    দরগা

শব্দঘুমের চাষ আর নৌতিরের কুলকুল মিশে

ফাকের কাফের শব্দ

ফাক ফাক

ফাক ফাক ফাঁক ফাঁক

বয়স বেড়ে যাচ্ছে

দরগা

 

বাড়িটায় কোন দেয়াল নেই

দরজা

ছাদ

উঠোনে একটা দরগার গায়ে ভোটগাছের লতা

ভোটগাছটিকে ভাল করে দেখি

তবুও দরগা

আর কাছাকাছি একা জলপনানো নদী

 


জলপর্দা

 

চশ্মা ভিজিয়ে দিলো এবারের বেড়াতে আসা

জল বিজলের মধ্যে বাছাই করা

   মরণ ইকোতে গোছানো

রক্ত চন্দন     গোঠের মালা     মতিসুঁচ     আর পানির ব্যাগ

তুমি সিড়ি খুঁজছো কেন

পর্দাফাঁই দিয়ে এখনো আসছে বিজনের আলো

বিছানার সঙ্গে মিশে কোথায় চলেছে সে পেন তুলে
সমান্তরাল দৃশ্যগুলো আমাদের আড়াল দিয়ে যাচ্ছে

আধখানা রাত         তাইরে না

রূপ অরূপ হচ্ছে দেখতে পাই অকারে আকারে
টেবিলে চাপা রোশন

হিম পোকার থ’ প্রেসক্রিপশনের ওপর

কবিতারা অংকুর ছেড়েছে বড় হয়ে বেড়াতে যাবার

একলা মাদল     এলোমেলো ধিম

দূরে কোথাও দূরের দূষণ্ণতায়

 


কা কাটা কাছিম

 

এভাবে হিমানকর      ঘন শূন্য      রেজারে কশন ফেরাবে

বুড়োবা বুড়োবা লিহ্যে গুনতে হবে ফিরিয়া

মেলানো কলি ফুটি ফুটি বাঁশির বিন্দুটি ছায়া খুলে আসবে

দুই স্লিপ বসানো মন-লা

তার ওপরে আঁকিজুকি পাখিটার গুনগুন স্ট্যাচুটি

সোনাটা শোনে না

কে জানতো ডাক নাম নদীটার ধীর

এতটা বধির হয়ে যাবে

ছিম ছিমানা কাছিম

স্যাংচুয়ারির নাকা

বন্দী হয়ে কেশর হয়ে ডোয়ার্কিনের দ্বারে

মরুজল

বাঁশি মোনিয়াম

ছায়াদের মেলামেশা কী যে খোঁজে আর

সোনাটা বাজতেই থাকে পাগলার

Loadingপ্রিয় তালিকায় রাখুন!
E