৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪
ফেব্রু ০৪২০১৭
 
 ০৪/০২/২০১৭  Posted by

গৌরাঙ্গ মোহান্ত ও তাঁর প্রেম-নিষিক্ত শব্দাবলি
– জ্যোতি শামিনা শাহীন

গৌরাঙ্গ মোহান্ত

গৌরাঙ্গ মোহান্ত

এক সুদর্শন শিশুর পৃথিবীতে আগমনি ঘোষণার মাত্র চার বছরের মধ্যে, কোমল ‘মা’ ডাকটি তার কণ্ঠ থেকে হারিয়ে যায়। বড় হতে থাকে প্রতিভাবান বালকটি। মায়ের অকৃত্রিম আদর-স্নেহ-মমতায় যে শাণিত ছেলেটির হেসে-খেলে বড় হবার কথা, তা অবাস্তবায়িত থেকে যায়। মা না ফেরার দেশে উদ্বাস্তু হলে নীল বেদনায় এলোমেলো হয়ে যায় তার জীবনের স্বপ্নিল পথচলা। কী হতে পারত বা পারত না তা আজ আর ভাবতে হয় না। কৈশোরের পুজো দেখা, রঙ খেলা, সিন্দুরমতির মেলা দেখা- যৌবনে শ্যামলী মাঠ, প্রান্তর পেরিয়ে, রংপুর ও ঢাকায় লেখাপড়া শেষ করে তিনি রাষ্ট্রীয় কর্মে যুক্ত হন। পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি লিখতে থাকেন কবিতা। প্রেমের পরশ মানুষকে কালে কালে সমৃদ্ধ ও পরিপুষ্ট করে তুলেছে। আধুনিক কবিগণ সেই প্রেম ও  হৃদ্য কথাবস্তু উপস্থাপনে কবিতায় যোগ করেন নানা মাত্রা। প্রেমের কবিতায় থাকে প্রেমিক হৃদয়ের আর্তি ও রংধনু-কল্পনা। বোধ-উষ্ণ শব্দ বিন্যাসে কবিতা হয়ে ওঠে ভোরবেলার সদ্যস্নাত রমণী।

যার কবিতা আমার সত্তার ভেতর শিহরণ তোলে তার কাব্যচেতনা নিয়ে লিখতে হাতে কাঁপন অনুভব করি। প্রতিটি বাক্যের ভাঁজে প্রত্যক্ষ করি প্রেমময় হাতছানি। ১৯৬২ সালে লালমনিরহাট জেলার দেউতি গ্রামে পদ্মপুকুর ঘেরা বাড়িতে কবি ভূমিষ্ঠ হন। আমার বয়স যখন ১০/১১ বছর, আপার বিয়ের সূত্র ধরে দুলাভাই এর বন্ধু কবি গৌরাঙ্গ মোহান্তের সাথে আমার পরিচয়। কিশোরী বেলায়, কবিকে দেখেছি খুব কাছে থেকে। তাঁর স্নেহ, ভালোবাসায় সিক্ত ছিলাম সেই থেকে। হাত ধরে হেঁটেছি অনেকটা পথ – তাঁর অনুপ্রেরণায় পড়তে শিখেছি রবিঠাকুরের কবিতা, উপন্যাস, ছোট গল্প। তার গলায় রবি ঠাকুরের গান শুনে মুগ্ধ হতাম। শেষের কবিতা উপন্যাসের কবিতাগুলো দুর্বোধ্য মনে হলেও বারবার পড়ে বুঝতে চেষ্টা করতাম। ‘সুপ্তোত্থিতা’, ‘নিদ্রিতা’ কবিতা পড়ে কেঁপে উঠেছি, এখনও কাঁপি। তাঁর হাত ধরে ধান, কাউন, গম ক্ষেতের আল দিয়ে হেঁটে হেঁটে বেড়াতে যেতাম মুক্তা দাদার বাড়িতে। জমির আলে দুর্বাঘাসের গালিচার ওপর দিয়ে খালি পায়ে হেঁটেছি অনেক দূর। ঘন সুপারি বাগানে ঘেরা গ্রাম অপূর্ব সুন্দর! সে গ্রামের নির্মল বাতাসের শিরশির আঁচল, শঠিফুলের শিশির উজ্জ্বলতা, মেঠো রাস্তার ধারে যৌবনবতী সোনালু ফুলের হলুদ ভঙ্গিমার ভেতর আমাদের সময় কেটেছে। পথের ধারে অবহেলায়, অনাদরে বেড়ে ওঠা দ্রোণ ফুলের মধুও আমরা চুষে খেয়েছি। কবির গ্রাম আমাদের প্রকৃতিযাত্রার গভীর আশ্রয় হয়ে উঠেছিলো।

কবির কবিতা বহির্জগতের রূপ, রস, গন্ধ ও স্পর্শে বিভাসিত হলেও স্বভূমির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বিভায় প্রোজ্জ্বল। তার কবিতায় দেখতে পাই, ‘হরিৎ পত্র খেয়ালি শিশুর মতো/ নক্ষত্রের দীপ্ত কলসে করে/ দিনভর স্নান।’ দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ওপর বিশ্বখ্যাত শিল্পীর রঙিন আলপনা দেখে কবি মুগ্ধ হন। ‘গারো-শ্যামতা কিংবা কুয়াকাটা-বিস্তীর্ণতা/সংবেদ্য ক্যানভাসে ঢেলে দেয় মাতিসীয় নীল-সবুজ।’ প্রকৃতির সাথে মিশে থাকে কবির প্রিয় মানুষের গভীর ছায়া। কবি যখন বলেন, ‘নির্বাক ঝরনাজলে কেঁপে ওঠে আহত স্থলপদ্ম’ তখন আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয় না যে তিনি দয়িতার শিহরণকে চিত্রিত করে তুলছেন। কারণ স্থলপদ্মের কম্পন দেখবার পরেই কবির দৃষ্টি আরো গভীর হয়ে পড়ে। তার ভাষায় ‘আমি তার সুনীল শেকড়ের দিকে চেয়ে বিমূঢ় হয়ে পড়ি।’ শালবাগান পুকুরের দক্ষিণ পাড়ে কী ঘটেছিল তার বিস্তৃত বিবরণ কবিতায় পাওয়া না গেলেও পুকুরের অসীম সৌন্দর্যের সাথে তার একান্ত অভিজ্ঞতা যে বাঁধা পড়ে আছে তা সহজেই অনুমান করা যায়। ‘অলক্ষ্য লিথস্ফিয়ার’ কবিতায় কবি বলেন, ‘শালবন পুকুরের দক্ষিণ পাড়ে একদা কিছু বৃষ্টিসিক্ত স্ফটিক লুকিয়ে রেখেছিলাম; সেগুলো চোখের জলে ধুয়ে রাখা দরকার। আমি গহন বোধিগৃহে কাটাবো কিছু কাল; অশ্রুকাতর চন্দ্রঘন্টার পদপৃষ্টে মাথা রেখে দর্শন করেছিলাম জীবনময়ূর।’ দেবী চন্দ্রঘন্টা যে কোনো দূর ভুবনের দেবী নন তা সহজেই বোধগম্য হয়। কেননা তার শরীরে মাথা রেখেই কবি জেনে ফেলেন জীবনের অন্তর্লীন সৌন্দর্য রহস্য। কবিতায় প্রেমের মুহূর্তগুলো স্মৃতিধন্য হয়ে থাকে। কখনো কবিহৃদয়ে ব্যক্তিগত অতীতের যন্ত্রণা তীব্র হয়ে ওঠে। ‘ব্লেড ও নির্মোক’ কবিতা শুরু হয় এ যন্ত্রণার কথা দিয়ে, ‘চন্দ্রবর্ণ ব্লেড প্রতিমুহূর্তে কাটে পাঁজর-প্রচ্ছাদিত আরক্ত কোষ।’ এ কবিতায় অতীত স্মৃতি অনাশ্য হয়ে ধরা দেয়, ‘অন্ধকার মধ্যাকাশে ভাসে ইথারীয় মন – বিরামপুরের নিভৃত অতীত/ টুকরো করে শূন্যে ছুঁড়ে চলি অনাশ্য ডিসক্যাস।’ কবি প্রতি মুহূর্তে ফিরে যেতে চান মিরপুরে। সেখানে ‘ক্রন্দনার্ত দুটো চোখ ডাক দেয় পল্লবী ভাষায়।’ বস্তুত ‘পাথর-পিপাশা’ কবিতায় গভীর আবেগ ও শরীরী আবেদন মূর্ত হয়ে উঠেছে। কারণ এ কবিতায় কবি ‘অনিয়ত কম্পনে’ ঘর্মাক্ত হয়ে ওঠেন, তার ওষ্ঠে  ও বক্ষে প্রেমিকার দাহ্য পঙ্ক্তির ঔজ্জ্বল্য বহন করেন। ‘জলময়ূরের পালক’ কবিতাটি নিবেদিত হয়েছে মায়ামঞ্জরির উদ্দেশ্যে। হয়তো মায়ামঞ্জরি কোনো গভীর সত্তা যাকে কবি প্রতীকী নামে ঢেকে রেখেছেন। কবিতাটিতে প্রেমের শিহরণ, এর পূর্ণতা ও পরিণতি সুন্দরভাবে প্রকাশিত হয়েছে। কবিতাটির শুরুতে দেখি, জলময়ূরের পালক কবির বুকে অপার উত্তাপ জাগিয়েছে। ফলে কবি হৃদয়-সূত্রে গেঁথে যাবেন অরুণাভ কিংখাপ। দিনাজপুরের কিন্নরী কবির বিজন বুকে ঝড় তোলেন। এ কিন্নরীকেও কবি আড়ালে রেখেছেন। মধ্য রাতে সেল ফোনে যে কথা তিনি শ্রবণ করেন তা যেন ডেকে আনে সাগর মল্লার। প্রেমের ভেতর দিয়ে কবি অনুভব করেন এক অসামান্য দহন। কবির ভাষায়, ‘কোথাও আমার লেগেছে আগুন কিছু যায় পুড়ে।/গহন-গামী জল খুঁজি সজল ধরণি জুড়ে।’ যে জল আগুন নেভাতে পারে তার খোঁজে কবি সমস্ত বিশ^ পরিভ্রমণে রাজি। দহন  ও বেদনার বিষে কবি জর্জরিত হয়ে পড়েন। আশ্চর্যের বিষয় হলো এই, একটি বেগুনি জর্জেট কবির হৃদয়ে জমে ওঠা জহর শুষে নেয়। এ বেগুনি জর্জেটের সাথে রংপুরের জারুল উচ্ছ্বাসের তুলনা রয়েছে কবিতায়। বেগুনি জর্জেটের জন্য কবিকে সজল ধরণি ভ্রমণ করতে হয় কেন, তা সহজে বোধগম্য হয় না। এমন হতে পারে, বেগুনি জর্জেট অতি দূর কোনো নগরে জারুলের মতো শোভমান। একটি বিচ্ছেদ বেদনা কবিকে নিমগ্ন করে রাখে। কবি বিচ্ছেদের ছবি আঁকেন, ‘রেশমি কদম ছোঁবে না জানি রক্ত-ভেজা বুক!/হিমেল রাতের পবনে খুঁজে ফিরি মৃত্যু-সুখ।’ শারীরিক মৃত্যুর সাথে সজল প্রেমের অবসান ঘটে। হয়তো সে কথা কবি আমাদের জানিয়ে রাখেন, ‘যে আমার নিশ্বাস – সত্য আপাতঅদৃশ্য,/যে মুহূর্তে মৃত আমি, তার কাছে অস্পৃশ্য।’ কবিতাটি পড়ে মনে হয়েছে কবির এ বিশ্বাস চূড়ান্ত নয়। কেননা মাটি বা আগুন কবির মৃত শরীর গ্রহণে বিদ্রোহ ঘোষণা করলেও দূর নগরবাসী কবি-দয়িতা কবির চেতনাশূন্য শরীরকে মর্যাদা দেবেন। কবির দয়িতা বিমল গ্রহের প্রতিনিধি হয়ে কবির মৃত্যুহীন প্রেম  ও মনোজগতকে ধারণ করবেন। কবির ভাষায়, ‘আমার সৎকারে যদি তীব্র হয় জমিন, অগ্নির দ্রোহ;/বিমল সৌরলোক হতে নেমে আসবে এক বিহ্বল গ্রহ।’

কবি গৌরাঙ্গ মোহান্তের কবিতায় প্রেমের নানা রূপের সাথে অভিমানকেও মূর্ত হতে দেখি। কবি যখন ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে ২য় বর্ষে অধ্যয়নরত তখন ‘ঝোড়োমেঘ উড়ে যাও’ নামে একটি অসাধারণ কবিতা রচনা করেন। যা জীবনকে পূর্ণ করে না, যা তৃষ্ণার জন্য উপযুক্ত নয় তার কাছে কবি যেতে চান না।  আবার এমনও মনে হয়, যে কুহু ধৈবত কবিকে উদ্দীপ্ত করেছিল তার পরিণত সুর অনেক অরণ্যে এক সাথে ছড়িয়ে পড়ে বলে কবি সে সুর থেকে পরিত্রাণ চান। মনোজাগতিক এ গভীর বেদনায় পাঠকও আলোড়িত হয়ে পড়েন।

‘একটি মুখের লিথোগ্রাফ
একটি কণ্ঠের কুহু ধৈবত
জীবন কিংবা জীবনান্তের নিষিক্ত শিহরণ হয়ে থাক।
ঝোড়ো মেঘ, উড়ে যাও দূর উত্তরে।
শুধু সান্দ্র দুুটি চোখ, আমার কাব্য হোক।
দুএক ফোঁটা বৃষ্টির কোনো প্রয়োজন নেই ধূসর বায়ুস্তরে।’

‘ফিরে যাও’ কবিতাটিও কবির অভিমানকে চিত্রিত করে তোলে। কবি কোনো এক সত্তাকে ফিরে যেতে বলেন, নির্জনতার ভেতর তিনি নিঃশেষিত হওয়ার প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। এ কবিতায় কবির ভাষা আমাদের ভেতরের বেদনাকেও জাগিয়ে তোলে।

‘ফিরে যাও জল, ফিরে যাও পিপাসা
ক্লান্ত মরু-পান্থ যদি খুঁজে না পায় বিপাশা
কী ক্ষতি জলের, জল-ধাত্রীর?
…  … …
ফিরে যাও বাতাস, ফিরে যাও প্রশ্বাস
নিষ্ফল বৃক্ষ যদি ছুঁড়ে ফেলে নিশ্বাস
কী ক্ষতি বাতাসের, বাতাস স্রষ্টার?’

অন্তর্গত সত্তার বিকাশের জন্য প্রেমের গুরুত্ব অপরিসীম। এ কথা কবি বহুভাবে প্রকাশ করার চেষ্টা করেছেন। প্রেমের ক্ষেত্রে কবি মিলনকে প্রাধান্য দিয়েছেন। বস্তুগত জীবনের প্রতিটি অর্জিত সংখ্যার ভেতর মেঘযাত্রা বিদ্যমান থাকলেও তা ধ্যানগম্য পদ্মের মতো নির্মল। ‘সংখ্যাপদ্ম’ কবিতায় কবি বলেন, ‘বস্তুত প্রতিটি সংখ্যা যৌথ ফল; একমাত্র সহযোগী তোমার ধ্যানদীপ্তি। এ কথা জেনে গেছি, আমাদের মৃত্যুর সাথে সংখ্যাতত্ত্বের অবসান নিশ্চিত, প্রজন্মান্তরে তা প্রচারিত হবার কোনো সুযোগ নেই।’

কবি মহাদেব সাহা প্রেমের ভেতর দিয়ে নিজেকে আমূল বদলে দেবার কথা ভেবেছেন, পরিশুদ্ধি লাভ করতে চেয়েছেন। তিনি একটি কবিতায় আমাদের জানিয়ে দেন,

    ‘বানাই একটি ছোটো বাংলো খড়ের কুঁড়ে ঘর
পুরোপুরি পাল্টে দাও আমার জীবন, আমি ফের
গোড়া থেকে শুরু করি –
একেবারে পরিশুদ্ধ মানুষের মতো করি
আরম্ভ জীবন;’

কবি গৌরাঙ্গ মোহান্তের কবিতাতেও দেখি প্রেমের ভেতর দিয়ে তিনি একটি শ্যামল গৃহে প্রবেশ করতে চান। এ গৃহ তাকে পরম প্রশান্তি দেবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন, ‘সূর্য স্কারলেট-প্লেটে রূপান্তরিত হলে হাঁসেরা শেষবার ধুয়ে নেবে গলা; সুপুরিবাগান ক্রমে গাঢ়তর হলে তোমার দরজায় আমি করবো উতল করাঘাত। অবাক তুমি ডেকে নেবে নিভৃত গ্রহের শ্যামল অন্তর্গৃহে।’ কোন এক বসন্ত রাতে কবি দয়িতাকে ডেকে নিয়ে চাঁদের কোমল ছায়ায় বসে রাতের কাব্য পড়তে চান। গভীর সাহচর্যের ভেতর দিয়ে তিনি মুক্ত ও পূর্ণ হয়ে ওঠার আশা ব্যক্ত করেন,
‘এ রাত ঘুমোবার নয়।
মৃদু পায়ে সিঁড়ি ভেঙে নেমে যাই চলো;
রাতের শীতল স্নানে মুক্ত, পূর্ণ হয়ে উঠি।’

গৌরাঙ্গ মোহান্তের কবিতায় প্রেমের উজ্জ্বল রং বিচ্ছুরিত। উত্তরাধুনিক চিত্রকল্পের ভেতর দিয়ে কবি প্রেমকে নতুন রূপ দিয়েছেন। নিবিষ্ট হয়ে পড়লেই তার কবিতা আনন্দের অফুরান উৎস হয়ে ওঠে। কবিতার ভেতর কবিতা, রঙের ভেতর হৃদয়ের প্রসারণ যেভাবে আমাদের মুগ্ধ করে তা অন্য কোথাও খুঁজে পাওয়া কঠিন। একটি শূন্য বাড়ির ভেতর কী ঘটে গিয়েছিলো  তা আমরা মানসচক্ষে দেখে নিতে পারি, ‘পড়ে আছে শূন্য বাড়ি। সিঁড়ি বেয়ে উঠে যাই দোতলার কবিতা কক্ষে। রবীন্দ্রনাথের হৃদয়স্রোতে একদিন আমরা রংধুন ডুবিয়ে দিয়েছিলাম। ভেজা রংধনুর চাপগুলোকে আলাদা করতে আমাদের সময় লেগেছিলো।’ এখানে যে প্রেমদৃশ্য কবি এঁকেছেন তা নিবিষ্ট হয়েই অনুভব করতে হয়।

গৌরাঙ্গ মোহান্তের প্রেমের কবিতা পাঠক হৃদয়ে শিহরণ জাগাক এ প্রত্যাশাই রাখি।

——————————

লেখক পরিচিতি

জ্যোতি শামিনা শাহীন

জ্যোতি শামিনা শাহীন

জ্যোতি শামিনা শাহীন
সহকারি প্রফেসর, বাংলা বিভাগ
মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ঢাকা।

Loadingপ্রিয় তালিকায় রাখুন!
E