৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪
মে ০১২০১৭
 
 ০১/০৫/২০১৭  Posted by

গিরীশ গৈরিক-এর এক গুচ্ছ ছোট কবিতা ও কিছু প্রশ্নোত্তর

১। কবিতা দিনদিন ছোট হয়ে আসছে কেন? দীর্ঘ কবিতা সৃষ্টি ও চর্চা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার কারণ কী? দীর্ঘ কবিতা সৃষ্টির দম-দুর্বলতা-ই কি ছোট কবিতা বেশি বেশি লেখার কারণ? নাকি, ছোট কবিতার বিশেষ শক্তি এর অনিবার্যতা? কী সেই শক্তি?

কবিতা কখনো আকারে ছোট-বড় হয় না। কোনো কোনো কবিতা আকারে ষাঁড়ের মতো হতে পারে কিন্তু সেই কবিতার বোধ যদি বাছুরের মতো হয় তবে ওই কবিতা ছোট কবিতা। আবার যদি কোনো কবিতার আকার বাছুরের মতো কিন্তু সেই কবিতার বোধ ষাঁড়ের মতো তবে ওই কবিতা বড় কবিতা। অর্থাৎ আমি বলতে চাচ্ছি-কবিতা ছোট-বড় বিচারে নির্ধারিত কোনো মাপকাঠি নেই। কবিতা আকারে যত ছোট-বড় হোক না কেন, অবশেষে তাকে কবিতা হয়ে উঠতে হবে-এটাই প্রথম এবং শেষ শর্ত। দিনদিন কবিতা ছোট হয়ে আসছে এই কথাটি যথার্থ নয়, কেননা আপনি খেয়াল করে দেখবেন এই সময়ে (সাহিত্যের জলবায়ু বিচারে) আকারে যেমন ছোট কবিতা লেখা হচ্ছে, তেমন করে বড় কবিতাও লেখা হচ্ছে। এখন তো আনেক কবিকে আমি দেখেছি সিরিজ কবিতা লিখতে। সিরিজ কবিতা তো এক প্রকার দীর্ঘকবিতা। তবে হ্যাঁ, মাহাকাব্য বলতে যেটা বোঝায় সেই মাপের বড় কবিতা মাইকেল মধুসূদনের পর কেউ রচনা করে সফল হতে পারে নাই। আরেকটি বিষয় আপনি যদি সনেটকে ছোট কবিতা বলেন-তাহলে আমার কিছু বলার নেই। কারণ সনেট হচ্ছে বাংলা আধুনিক কবিতার প্রথম সময়ের রচনা এবং বাংলা কবিতার এক যুগান্তকারী মাইলফলক।

এ সময়ের কবিরা তাদের কবিতার মাঝে পূর্বের কবিতার মতো অতিকথন, একটি চরণ বারবার ব্যবহার ও ক্লোজ অ্যান্ডেড ফর্মে কবিতা রচনা না করার কারণে কবিতা আকারে কখনো কখনো ছোট হচ্ছে-সে কথা বলা যেতে পারে। আর কবিতার শক্তি প্রসঙ্গে বলবো : কবিতার আকার দিয়ে কবিতার শক্তি নির্ণয় করা যায় না।

২। এক লাইনেও কবিতা হয়, আবার সহস্র চরণেও। আকারে-অবয়বে দীর্ঘ বা ছোট হলেই কি একটি কবিতা দীর্ঘ কবিতা বা ছোট কবিতা হয়? ছোট কবিতা ও দীর্ঘ কবিতার বিশেষত্ব কী?

এক লাইনে শুধু কবিতা নয় গল্পও হতে পারে। তার সফল উদাহরণ কবি চন্দন চৌধুরীর পরামানুগল্প ‘একটি ঢেউ আরেকটি ঢেউকে বললো : আমাদের জীবন এত ছোট কেন রে, বলতেই ঢেউটি আছড়ে পড়ল।’ এখানে আপনি দেখেন গল্পের সকল বিষয়বস্তু ও বৈশিষ্ট্য উপস্থিত আছে এবং গল্পটি কত আসাধারণ। অন্যদিকে, আমার জানা মতে কবি বিনয় মজুমদারই এক লাইনের কবিতা সকলের চেয়ে বেশি লিখেছেন। তাঁর একটি কবিতাগ্রন্থের নাম ‘এক পংক্তির কবিতা’ এবং এই কবিতাগ্রন্থটি আমার খুবই প্রিয়। সেই গ্রন্থের একটি কবিতা আপনাকে বলি : ‘জোনাকি পোকাই প্রকৃত জ্যোতির্ময়’।

ছোট ও দীর্ঘ কবিতার দূরত্ব ও বিশেষত্ব নির্ভর করে কবিতা হয়ে ওঠার ওপর। একজন লম্বা মানুষ ও অন্য আরেকজন বেটে মানুষের মাঝে যতটা পার্থক্য ঠিক ততটা পার্থক্য আকারে ছোট ও দীর্ঘ কবিতার মাঝে বিরাজ করে। একটু খুলে বলি : ধরেন একজন বেটে মানুষ যে কোনো দেশের রাষ্ট্রপতি হতে পারে আবার লম্বা মানুষও হতে পারে। আসলে তাদের সাইজের উপর নির্ভর করে না, নির্ভর করে তাঁর গুণাবলির উপর।

(৩/ক) ছোট কবিতার গঠন-কাঠামো কেমন হওয়া উচিত মনে করেন?

শুধু ছোট কবিতার কেন পৃথিবীর কোনো কবিতারই নির্দিষ্ট কোনো গঠন কাঠামো নেই, এমন-কি থাকতেও নেই। আমি পূর্বেই বলেছি আকার আকৃতির সাথে কবিতা কখনো ছোট বড় হয় না। এক লাইনের কবিতাও বড় কবিতা হতে পারে আবার পূর্ণাঙ্গ একটি মহাকাব্যও ছোট কবিতা হতে পারে।

(৩/খ) ছোট কবিতা পাঠে পূর্ণ তৃপ্তি পাওয়া যায় কি?

শুধু ছোট কবিতা কেন, কবিতা হয়ে উঠলে সকল কবিতা পাঠে তৃপ্তি পাওয়া সম্ভব। কবিতা না হলে হাজারও লাইনের কবিতা আরো বেশি বিরক্তির জন্ম দিতে পারে-পাঠকের মনে। মোদ্দা কথা আমি আকারের উপর কবিতা ছোট-বড় নির্ণয় করতে চাই না।

(৩/গ) ছোট কবিতায় কি মহাকাব্যিক ব্যঞ্জনা পাওয়া সম্ভব?

প্রথমে বলি শ্লোক, পদ, পদ্য ও কবিতা এক বিষয় নয়। তেমনি কাব্যের সাথে মহাকাব্যের তুলনা চলে না। শুধু মহাকাব্যের সাথে মহাকাব্যের প্রতিতুলনা চলে। মহাকাব্য হলে সকল শিল্পের সাবলাইম। তাই ছোট কবিতার সাথে আমি মাহাকাব্যের ব্যঞ্জনা খুঁজতে চাই না।

(৪/ক) আপনার লেখালেখি ও পাঠে ছোট কবিতা কীভাবে চর্চিত হয়েছে?

কবিতা আমার ব্লাড গ্র“প। কবিতা আমার রক্তেই থাকে। যতদিন বাঁচি ততদিন কবিতার মাঝে বসবাস করবো। আমার কবিতা চর্চার মাঝে আকারে যেমন দীর্ঘ কবিতা আছে, তেমন ছোট কবিতাও আছে। আসল কথা হলে, আমি যে কবিতা লিখি তা কোনো কবিতার মাঝে পরে না। তাই আমি যখন কবিতা পাঠক তখন সেই পাঠ তালিকায় আমার কবিতা থাকে না।
আমি ভুলত কবি, মলত বোকাচোদা। ভুল করে কবিতা লিখতে এসে এক-এক করে আমার দু’টি কবিতাগ্রন্থ প্রকাশ পেয়েছে, তার জন্য আমি দুঃখিত। আমি চাই এমন ভুল করে প্রতিবছরে আমার কবিতাগ্রন্থ প্রকাশ পাক এবং তার জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করি।

(৪/খ) আপনার একগুচ্ছ (৫-১০ টি) ছোট কবিতা পড়তে চাই।

গিরীশ গৈরিকের একগুচ্ছ কবিতা


আমি অভিজিৎ রায় বলছি

নিমগাছের সমস্ত শরীরজুড়ে তিক্ততারই ব্যাকরণ
অথচ নিমফুল মধু ডেকে আনে নীল প্রজাপতি
নৃ-মুণ্ডের অন্ধকারে এখনো যারা কাশফুল চাষাবাদ করে
এখনো যাদের চোখে শ্লোগানের পঙক্তি দাউদাউ করে জ্বলে
আমরা নিমফুল হাতে তাদের অপেক্ষায় আছি

সাদা কাকের কুহু কুহু রিংটোন ভাতের থালায় মেখে
কোকিলের প্রার্থনায় নত হলে-শকুনের আনাগোনা বাড়ে
কিংবা বিড়াল ও ইঁদুর এক খাঁচায় পোষ মানালে
শাকচুন্নি বাতাসে ডানা ভাঙা রোদ ফিসফিস করতেই পারে

এভাবে বেজিদের রক্তে কোবরা হত্যার এক প্রকার নেশা জন্মে
অথচ সাপ ও বেজির দ্বন্দ্ব এখন মানুষের রক্ত থেকে পবিত্র গ্রন্থে

নারিকেলের ভেতর জল শুকালে পচন ধরে
তেম্নি জলহীন নদীগর্ভ জনহীন মরুভূমি হলে
সেই মরুভূমির ইট চাপা ঘাসের কান্না সূর্য শুনতে পায় না


শ্লোক

এই অভিধানে গুড় জাতীয় কোনো শব্দ নেই
কেননা তার বাড়ির পাশে খুনি পিঁপড়েদের বসবাস
যৌনতাত কিংবা মহুয়াবসন্ত শব্দবীজ বুনতে পারে
কিন্তু কলসির তলা ফুটো হলে-কৌমার্য ঘুঙুর আর বাজে না
এ সকল বিষয় অধ্যয়ন করে বুঝেছি-জন্মদাগ ঘষে ওঠানো যায় না
বিষয়টা বাহিরের নয়-ভেতরের
কপালের ভাঁজ গুনে জীবনের অর্থ না জানলেও
খেজুরগাছের খাঁজ গুনে বলতে পারি তার বয়স কত
কিংবা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের চোখে চোখ রেখে বলতে পারি
কাঁদতে পারা মানুষের একটি বড় গুণ
যদিও আমি জন্মের সময় কাঁদিনি বলে-মা জ্ঞান হারিয়েছিলেন
যেমন জ্ঞান হারিয়ে ফেলে-ব্যবচ্ছেদবিদ্যায় ব্যবহৃত ব্যাঙ


কোকিলের লাল চোখ ও কাকের নীল ডিম

তোমাকে মনে করার মতো
আর কোনো মন অবশিষ্ট নেই
এ যেন তুমি বাংলা স্বরবর্ণের লি-ই কার
কোনো ধ্বনি বা শব্দে যার ব্যবহার শূন্য থেকে শূন্যতম
কিম্বা গভীর কুয়াশায় হেঁটে চলা তোমার পায়ের ছাপ
ডিম থেকে বাচ্চা পেতে হলে বুকের উত্তাপ প্রয়োজন
অথচ তুমি বরফ ভালোবেসে ঘুমিয়ে রাখলে শিশু পৃথিবী
আর আমার মনের মাঝে ঢুকিয়ে দিলে খনি গর্ভের অন্ধকার
ভগ্নাংশে আমি ইঁদুর দাঁতে খনন করে চলেছি তোমার মনোখনি
তবুও তোমার মুগ্ধতায় মুখ ধুয়ে দেখেছি
শ্যাওলার সবুজ গন্ধে ভরে গ্যাছে আমার ঋগে¦দের ছোট্ট দীঘি
অবশেষে ডান হাতের বুড়ো আঙুল হারিয়ে ভেবেছি
একটি অঙুলের মৃত্যু মানে-একটি হাতের মৃত্যু নয়


মা : আদিপর্ব

***
কোনো বিষধর সাপ ফণা তুলে দাঁড়ালে
প্রশ্নবোধক চিহ্ন হয়ে যায়?
অথচ- সাপদের কোনো প্রশ্নের উত্তর আজও মানুষের অজানা
তাই মানুষের সাথে সাপদের এত আড়ি।

আমার মা বলেন-
কোনো কোনো মানুষ সাপেরও অধিক
তাদের এক ছোবলে হাজার মানুষ মরে।
বস্তুত সাপদের কাছে মানুষের শেখা উচিত
এই অভিশাপ থেকে মানুষ কবে মুক্তি পাবে।

***
আমার মৃত্যু হলে- মায়ের মৃতদেহে
একবার জীবিত হতে চাই।
মায়ের মৃতদেহের অন্ধকারে- জোনাক আলো জ্বেলে
পাঠ করে নিতে চাই- তার সুখ ও দুঃখের খবর।
কিংবা তিনি কতটা কষ্টে পৃথিবীতে এসেছিলেন
আবার কতটা কষ্টে পৃথিবী ছেড়ে গেলেন
জীবিত থাকতে আমি এসবের কিছুই বুঝিনি।

হে ঈশ্বর তুমি আরেকবার নতজানু হও
মায়ের পায়ের নিচে
যেন তোমাকে দেখতে আমার মতো অন্ধভিখারী মনে হয়।

***
হেমন্তের সকালে ঘুম থেকে জেগে দেখি-
মাকড়সার জালে ধরা পড়েছে ভোরের শিশিরবিন্দু,
এ যেন আমার মায়ের অশ্রুবিন্দু- মাকড়সা জালে।

প্রতিটি অশ্র“বিন্দুর মাঝে লুকিয়ে আছে- এক একটি সূর্য
আমি এতগুলো সূর্য- একসঙ্গে কখনো দেখিনি।
অথচ হেমন্তের অশ্র“বিন্দু কেন যে বোঝে না?
যাকে সে বুকে ধারণ করে- সেই তাকে শুষে নেবে।

হায় সূর্য- যে তোমাকে বুকে ধারণ করে।
তুমি তাকেই শুষে নাও।

***
সূর্য নিবে গেলে-
পৃথিবীর সকলেই অন্ধ হয়ে যাবে
তাই সূর্যকে বলা হয় বোধের তৃতীয়চোখ।
এরূপ বোধের তৃতীয়চোখ আমার মায়ের আছে
তাই আমি অন্ধের সন্তান- নাম আমার অন্ধকার।
কেউ কেউ আমাকে কবর বলে
যদিও আমার মা সোহাগ করে নাম দিয়েছে মৃত্যু।

আমি মারা গেলে অর্থাৎ মৃত্যু মারা গেলে
পৃথিবীর সকলেই পাবে বোধের তৃতীয়চোখ।
আর সূর্যের রঙ হবে অন্ধকার।

***
মায়ের চোখের জলের দাগ বড় হতে হতে
খাল হয়ে- নদী হয়ে- সমুদ্রে মিশে গেছে।
সেই থেকে চোখের জলে লবণাক্ত হলো সমুদ্রের জল।

এখন মা তার হৃদয়ের ক্ষততে বোরোলিন লাগায়
ক্ষত যতো পুরোনো হয় ব্যথা ততো দূরে সরে যায়।
এভাবে আমি অনন্তকাল অন্তরীণ হয়ে আছি
সমুদ্রের জল হয়ে, বোরোলিন হয়ে- মায়ের হৃদয়ে।

***
কোনো এক অন্ধকবি জেলখানার জানালা খুলে দেখে
নরম আলো নিয়ে জেগেছে ভোরের সূর্য।
সেই আলো তার হৃদয়ে মেখে- সে বুঝতে পায়
পৃথিবী একটি অন্ধকার জেলখানা।

আরো পরে সে দেখে- সেই জেলখানার দ্বারে
তার প্রিয়তম জননী, তারই মুক্তির প্রতীক্ষায়-
হাজার বছর ধরে অনশনে রত।

তারপর সে বুঝতে পায়
পৃথিবীর অন্ধত্ব চিরস্থায়ী নয়।

***
আমার মায়ের জীবন যেন কুমোরের তৈরি কাঁচা কলস
যে কলস বৃষ্টির আঘাতে আবার মাটি হয়ে যায়।
আমার মা ওই কলসে তার চোখের জল ধরে রাখে
আর আমাদের মনে যখন সুখের পিপাসা জাগে
আমরা তখন ওই কলসের জল পান করি
তাই আমাদের পিপাসা মেটাতে- মাকে অনেক কাঁদাতে হয়।

***
নারীদের গর্ভে সন্তান এলে
দুধে ভরে ওঠে স্তন।
সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে পরে-
তার মুখে স্তন গুঁজে গুণতে থাকে স্নেহের নক্ষত্র।
বিপরীতে- ভূমিষ্ঠ শিশু মৃত হলে
তখন তাদের স্তন নিজেদের কাছে হয়ে ওঠে বিষের পেয়ালা।

একদা আমার মায়ের স্তনও হয়েছিলো বিষের পেয়ালা
আমাকে জন্মানোর পরে কিংবা তোমাকে ভূমিষ্ঠ করার আগে।

***
সাদা যদি শান্তির প্রতীক হয়
আর কালো হয় দুঃখের।
তাহলে কবিরা দঃখের জাতক
কেননা সে সাদা খাতায় কলঙ্কের কালিতে
রোপণ করে জীবন বোধের কবিতা।

এই কারণে আমার মা- কবিতা রোপণ করলো মুখে মুখে
বাবাকে জড়িয়ে ধরে প্রসূতি জমিতে।
আমাদের শৈশবের মুখে স্তন পুরে দিয়ে।
নিজের শাড়ির আঁচল ছিঁড়ে- পতাকা বানিয়ে।

অথচ- তার দুঃখগুলো নিজের ভেতরে রোপণ করে
তিলে তিলে বাড়িয়ে তুলছে- কষ্টবৃক্ষ।

—————————

কবি পরিচিতি

গিরীশ গৈরিক

গিরীশ গৈরিক

গিরীশ গৈরিক। জন্মঃ ১৫ই আগস্ট, ১৯৮৭, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ। মূলত কবি। তিনি কবিতার পাশাপাশি কাব্যবিষয়ক প্রবন্ধ ও কবিতা অনুবাদ করে থাকেন। শিক্ষাঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর। পেশাঃ সাংবাদিকতা। তিনি স্কুল জীবন পার করেই তার নিজ গ্রামে গড়ে তুলেন ‘গীতাঞ্জলি সাহিত্য পরিষদ’।

প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থঃ ‘ক্ষুধার্ত ধানের নামতা’ (২০১৬); ‘মা – আদিপর্ব’ (২০১৭)।

Loadingপ্রিয় তালিকায় রাখুন!
E