৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৪
সেপ্টে ১৭২০১৭
 
 ১৭/০৯/২০১৭  Posted by

ফেরদৌস মাহমুদ-এর সাক্ষাৎকার ও তার ছোট কবিতা

১। কবিতা দিনদিন ছোট হয়ে আসছে কেন? দীর্ঘ কবিতা সৃষ্টি ও চর্চা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার কারণ কী? দীর্ঘ কবিতা সৃষ্টির দম-দুর্বলতাই কি ছোট কবিতা বেশি বেশি লেখার কারণ? নাকি, ছোট কবিতা’র বিশেষ শক্তি এর অনিবার্যতা? কী সেই শক্তি?

ফেরদৌস মাহমুদ : কবিতা যে কেবল এ সময়ে এসে ছোট হয়ে আসছে বিষয়টা এমন নয়। অনেক আগে থেকেই ছোট কবিতা লেখা হচ্ছে—এটা চর্যাপদের কবিতার দিকে তাকালে যেমন দেখা যায়, তেমন দুই হাজার বছর আগের জেন কবিতার দিকে তাকালেও দেখা যায়। আপনি যদি হাইকু পড়েন দেখবেন তা কত অল্প কয়েকটা শব্দের ভেতর দিয়ে ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করে ফেলে। হাইকু নিশ্চয় এ সময়ের আবিষ্কার নয়।
ছোট কবিতা বলেন আর দীর্ঘ কবিতা বলেন— দু’ধরনের কবিতার প্রতিই আমার পক্ষপাত রয়েছে। আমার সব বইতেই একাধিক দীর্ঘ কবিতা রয়েছে; এই তো মাস খানেক আগেও আমি দুই শো লাইনের উপরে একটি কবিতা লিখেছি।

দীর্ঘ কবিতা সাধারণত লেখা হয় বিশেষ ঘোরের মধ্যে। সে ঘোরের ভেতর লেখা কবিতায় যখন অসংখ্য বিষয়, অসংখ্য চিত্রকল্প, অসংখ্য চিন্তা, সংগীতের সুর, নাট্যকলা, কবিতার ছন্দ কিংবা ছণ্দহীণতা, শব্দ বা ধ্বনির বৈচিত্র্য মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় তখন আসলে কবির কলম হাওয়ার গতিতে এগোতে থাকে।

সফল দীর্ঘ কবিতা লেখার মুহূর্তে কবির যে ঘোর তা পরবর্তী সময়ে পাঠককেও সক্রমিত করে ফেলে। দীর্ঘ কবিতা লেখা আসলে একজন কবির দমের পাশাপাশি পরিমিতিবোধের পরীক্ষা। পরিমিতিবোধের অভাবে অনেক সময় দীর্ঘ কবিতা ব্যর্থ হয়ে যেতে পারে। দীর্ঘ কবিতায় অসংখ্য ছোট ছোট কবিতার বীজ ঢুকে থাকে। অসংখ্য ছোট ছোট কবিতা দেখা যায় দীর্ঘ কবিতার ভেতর নাট-বল্টু হিসেবে কাজ করে।

দীর্ঘ কবিতা লেখার মুড বা একাগ্রতা সবসময় পাওয়া যায় না; এমনকি দীর্ঘ কবিতা পাঠও যে কোনো মুডে সম্ভব না। এর জন্য আলাদা মুড বা আলাদা পরিবেশেরও প্রয়োজন হতে পারে। যেমন বিনয় মজুমদারের ‘অঘ্রানের অনুভূতিমালা’ পাঠের জন্য পাহাড় হচ্ছে উপযুক্ত জায়গা। আর্মিদের উচিত পাহাড়ে ডিউটির সময় ‌বিনয় মজুমদারের ‘অঘ্রানের অনুভূতিমালা’ পাঠ করা। শক্তি চট্টোপাধ্যায় নাকি কেবলমাত্র বিনয়ের কবিতা পাঠের জন্য একবার কলকাতার বাইরে চলে গিয়েছিলেন।

ছোট কবিতার শক্তি যদি হয় বিন্দুর মধ্যে সমুদ্রকে ধারণ করা, তবে দীর্ঘ কবিতার কাজ সমুদ্রের মধ্যে বিন্দু বিন্দু চিত্রকল্প, চূর্ণ চিন্তাকে জোটবদ্ধ করে বিচিত্র অনুভূতির ভেলায় পাঠককে ভাসিয়ে বেড়ানো।

২। এক লাইনেও কবিতা হয়, আবার সহস্র চরণেও। আকারে-অবয়বে দীর্ঘ বা ছোট হলেই কি একটি কবিতা দীর্ঘ কবিতা বা ছোট কবিতা হয়?

ফেরদৌস মাহমুদ : তিন লাইনের একটি ছোট কবিতাতেও মহাকাব্যিক গুণ থাকতে পারে, ওই কবিতা নিয়ে হতে পারে বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে দীর্ঘ দীর্ঘ ব্যাখ্যা; তাই বলে তিন লাইনের কবিতাকে আমি কখনই দীর্ঘ কবিতা বলব না। দীর্ঘ কবিতাকে অবশ্যই আকৃতিতে দীর্ঘ হতে হবে— এটা দীর্ঘ কবিতার প্রাথমিক শর্ত ।

এই শর্ত মেনে নিয়েই বলব, সব দীর্ঘ আকৃতির কবিতাকে দীর্ঘ কবিতা বলা যায় না। দীর্ঘ কবিতার বাক্য গঠন, চিত্রকল্প নির্মাণ বা পংক্তি বিন্যাস অবশ্যই মেদহীণ ও বৈচিত্র্যময় হতে হবে; পাশাপাশি কবিতার বিষয়গত সীমানা থাকবে অনেক দূর পর্যন্ত ছড়ানো।

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান তিন কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম বা শামসুর রাহমান অসংখ্য লম্বা লম্বা কবিতা লিখেছেন। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, তাঁদের কোনো কোনো কবিতা পড়ে মনে হয়েছে অকারণে দীর্ঘ আকৃতির, কবিতাগুলো মেদবহুল। একই কথা হয়ত ইনিয়ে-বিনিয়ে বলা হয়েছে কয়েকবার। কিংবা, যে কথা তিন লাইনে বলা যায় তা হয়ত তাঁরা ব্যঞ্জনাহীণভাবে সাত-আট লাইনে বলেছেন—মাঝখান থেকে কবিতা হয়েছে লম্বা। এই জাতীয় লম্বা কবিতাকে আমি দীর্ঘ কবিতা বলতে রাজি নই। এই কবিতা পাঠককে ঘোরগ্রস্ত করতে পারে না বরং পাঠক চিত্তে বিরক্তির উদ্রেক করে।

দীর্ঘ কবিতার একটি বড় গুণ হচ্ছে পাঠককে ঘোরগ্রস্ত করে ফেলা, পাঠক চিত্তকে কবিতার বৈচিত্র্যময় রসের জগতে বিষণ্ন-বিপন্ন বা উৎফুল্লতার মধ্য দিয়ে ভাসিয়ে রাখা, পাঠক চিত্তকে শব্দ-ধ্বনি বা চিন্তা দিয়ে জাগিয়ে তোলা– যেমনটা হয় টিএসএলিয়টের ‘ওয়েস্ট ল্যান্ড’, অ্যালেন গিন্সবার্গের ‘হাউল’, কাহলিল জিবরানের ‘দ্য প্রোফেট’, স্যা-জন প্যার্সের ‘আনাবাজ’, জীবনানন্দ দাশের ‘বোধ’, জয় গোস্বামীর ‘ভুতুমভগবান, বিনয় মজুমদারের ‘অঘ্রানের অনুভূতিমালা’, আজীজুল হকের ‘ নরকে এক মুহূর্ত’, উৎপলকুমার বসুর ‌‌’পুরী সিরিজ’, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর ‌‌‌‌‌‌‌’আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি’, সিকদার আমিনুল হকের ‘সতত ডানার মানুষ’ কিংবা সুব্রত অগাস্টিন গোমেজের ‘তনুমধ্যা’ পড়তে গিয়ে।

অনেক দিন আগে ইনজিল, তাওরাত আর ইয়াহিয়া (আ:) এর একটি বই পড়েছিলাম। ওগুলো পড়ার পর খুব ইচ্ছে হয়েছিল ইনজিল বা তাওরাতের মত করে আমার সময়ের উপযোগী ভাষা ও চিন্তায় দীর্ঘ এক কবিতার বই লেখার। ইচ্ছে হয়েছিল কাহলিল জিবরান বা নিটসের মতো করে কবিতা লেখার। আজও লিখতে পারিনি। তবে ইচ্ছেটা এখনও আছে।

৩। ক) ছোট কবিতা’র গঠন-কাঠামো কেমন হওয়া উচিত মনে করেন?

ফেরদৌস মাহমুদ : কবিতা নিজেই তার গঠন-কাঠামো তৈরি করে নেয়। এটা একেক কবিতার ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে। এক্ষেত্রে ছোট কবিতার গঠন-কাঠামো কেমন হওয়া উচিত তা আলাদা করে বলা সম্ভব না। কবিতা তো আসলে হাতে-গোণা কয়েকটি গঠন কাঠামোর মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে; আমার তো মনে হয়, যেমন আছে তেমনটাই ঠিক আছে।

খ) ছোট কবিতা পাঠে পূর্ণ তৃপ্তি পাওয়া যায় কি?

ফেরদৌস মাহমুদ : কবিতাটা যদি সত্যিই কবিতা হয়, তবে নিশ্চয় তৃপ্তি পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে আকার কোনো ঘটনা না।

গ) ছোট কবিতায় কি মহাকাব্যিক ব্যঞ্জনা পাওয়া সম্ভব?

ফেরদৌস মাহমুদ : ছোট কবিতায় অবশ্যই মহাকাব্যিক ব্যঞ্জনা পাওয়া সম্ভব। আবুল হাসানের– ‘ঝিনুক নীরবে সহো/ ঝিনুক নীরবে সহো, ঝিনুক নীরবে সহে যাও/ ভেতরে বিষের বালি, মুখ বুঁজ মুক্তা ফলাও!’– কবিতাটি পাঠে নিশ্চিতভাবেই আমি মহাকাব্যিক ব্যঞ্জনা পাই। সারা বিশ্বে এমন অনেক ছোট কবিতাই রয়েছে যার মধ্যে মহাকাব্যিক ব্যঞ্জনা পাওয়া সম্ভব।

৪। ক) আপনার লেখালেখি ও পাঠে ছোট কবিতা কীভাবে চর্চিত হয়েছে?

ফেরদৌস মাহমুদ : দীর্ঘ কবিতার চেয়ে ছোট কবিতাই তো লিখেছি বেশি। আমার বইগুলো দেখলেই বুঝবেন আমার লেখালেখিতে ছোট কবিতা কীভাবে চর্চিত হয়েছে। আজকের পৃথিবীতে ছোট কবিতাই লেখা হচ্ছে বেশি, আমিও এর ব্যতিক্রম নই। তবে আমি দীর্ঘ কবিতা লিখতে চাই, দীর্ঘ কবিতাতেই আসলে বড় কাজটা করা সম্ভব, ওটা ছোট কবিতা দিয়ে হবে না। এ সময়ে প্রয়োজন মেঘনাদবধ কাব্য বা ফাউস্টের মত বড় কিছু লিখতে পারার ক্ষমতা অর্জন করা, যা বাংলা কবিতাকে নতুনভাবে মোচড় দিতে পারে। বর্তমানে বাংলা কবিতা আসলে একঘেয়েমী আর হালকা টুয়িস্ট বা চটক-চমক চর্চার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্যকরণসম্মতভাবে ছন্দ মেনে মেনে হালকা ও স্থুল চিন্তার চর্চা করা হচ্ছে—- এ থেকে বেরুনোর উপায় দীর্ঘ কবিতা লেখা বাড়ানো।

খ) আপনার একগুচ্ছ (৫/১০টি) ছোট কবিতা পড়তে চাই।

ফেরদৌস মাহমুদ :


আলো-অন্ধকার
……………………

বড়শিতে লাগাও কেঁচো, দু-দশটা মাছ তুলি
বোঝা সব নামিয়ে রাখো, নিয়ে যাবে লাল কুলি।
তুমি তো হে বাদাম বেচো, চলো ভাই বাদাম কিনি
ওই তো বোকা এক চায়ের দোকান, চায়ের কাপে টুংটাং নাড়াই চিনি।

একি হায়, হঠাৎ দ্রুম দ্রাম হয় যে গুলি
গাইছে গান প্রচীন সব মাথার খুলি
সবই আজ সত্য, নয় কো কল্প বুলি।

তুমি তো হে সাগর সেচো, আলো আর অন্ধকার বেচো।


অলৌকিক তালি-১
……………………….

মহাশূন্যে ভাঙা পৃথিবী ঝুলন্ত। মহাশূন্যে একটা আইসক্রিম ভাসছে

মহাশূন্যে কার যেন হাসির শব্দ

মহাশূন্যে শূন্যতারা নাচছে

মহাশূন্যে যদি যাও
আইসক্রিমটায় কামড় দিয়ে এসো।


অলৌকিক তালি-২
………….

ওখানে কেউ নেই, কিচ্ছু নেই। নেই জাহাজ
ওটা রাত্রির সমুদ্র।

ওই সমুদ্রের নোনা জলে উইকেট গেড়েছি,
খেলছি ক্রিকেট। আমিই বোলার, আমিই ব্যাটসম্যান।
চারদিক শুনশান, তবু তালির শব্দ কেবল!


গণক
……..

ছিলে পাথর, উড়ে গেলে কবুতর হয়ে। গণকের কালো মেয়ে
ঘুমিয়ে পড়ে টিয়া পাখির খাঁচায়;
এবার তাকে উদ্ধার করবে তুমি।

গণক যাবে হাত দেখতে মুটিয়ে যাওয়া গণিকার বাড়ি।


সেলুন
……..

দেশের খবর জানতে নাপিতের দোকানে যাই, সেখানে ইত্তেফাক পত্রিকা পড়ি।
ইত্তেফাকে রোজ টারজানের কমিক্স ছাপে, ওটা পড়তে ইচ্ছে হয় না— তবু দেখি।
বিচিত্র বিষয়ে নাপিতদের আলাপ শুনি। মনে হয়, দুনিয়ার বহু লোকই চুল কেটে
খেয়ে-পড়ে দিব্যি বেঁচে আছে। বিহারী নাপিতকে একদিন জিজ্ঞেস করি—
প্রতিদিন বিশ্বে কত টন চুল কাটা হয়, এই পরিসংখ্যান কি ইন্টারনেটে পাওয়া যাবে?
বিহারী নাপিত হাসে আর বলে, ‘সাঁতার না জানলে বাবার পুকুরেও মানুষ ডুবে যায়’!
আমি মোবাইলে ইন্টারনেটে ঢুকি। আমার সাদা চুল কালো হয়ে যায়।
কোথা থেকে যেন ভেসে আসে টারজানের চিৎকার। সেলুনের টিভিতে টারজান হচ্ছে!


নিশ্চয় তুমি একজন কেউ না
……………………………

নিশ্চয় তুমি একজন বিখ্যাত তারা
যে কিছুই করতে পারে না অথচ
সব কিছু করে। নিশ্চয় তুমি একজন
উন্মাদ ভালো লোক, যে নিজ প্রতিভা নিয়ে
করে উপহাস; নিজ কবরে লাগায় বকফুল।
নিশ্চয় তুমি একজন বিখ্যাত পাখি
যে সবকিছু করতে পারে অথচ কিছুই
করে না। নিশ্চয় তুমি একজন কিছুই না
দৃশ্যের ভেতর কেবল দাঁড়িয়ে রও অদৃশ্য হয়ে।


মাওয়াঘাটের চাঁদ
………………….

মাওয়াঘাটে সেদ্ধ ডিম খাই আর চাঁদ দেখি। লঞ্চ আসে লঞ্চ যায়।

চাঁদ-পৃথিবী-গ্রহ-নক্ষত্র যেন মহাশূন্যে ভাসমান ডিম।
পৃথিবী থেকে চাঁদকে মনে হয় ওপরে, চাঁদ থেকে দেখলে পৃথিবীটাও তাই।

আহা, নক্ষত্রদের এক রকম মনে হলেও জানি তারা এক নয়।
খোলা মাঠে পাশাপাশি দুটি ঘাসের মধ্যে রয়েছে বিস্তর ফারাক।

এইসব ফারাক সমস্ত ইন্দ্রিয় দিয়ে অনুভব করে ভাবি–
নিশ্চয় আমাদের মধ্যে রয়েছে এমন কোনো ইন্দ্রিয় আজও হয়নি যা বিকশিত।

মাওয়াঘাটের পূর্ণিমার চাঁদ আগুনে পুড়ে টুপ শব্দে পড়ে যায় নদীতে!


জীবনানন্দের এরোপ্লেন
………………………

আমাদের ফ্লাটের ওপর দিয়ে রোজ সন্ধ্যায় এরোপ্লেন উড়ে যায় দূর বিদেশে।
আমি বলি, ওই এরোপ্লেন জীবনানন্দের। এ কথাতে আমাকে স্যালুট দ্যায়
অন্ধকারে দাঁড়ানো ভুঁড়িঅলা নিমগাছ। এরোপ্লেনের আলো লাগে সন্ধ্যার
উড়ন্ত বলাকাদের গায়। ভাবি, ওই এরোপ্লেন-যাত্রীদের কেউই কি আমার
পরিচিতজন নয়! আহা, পৃথিবীর কত মানুষেরেই না চিনে না জেনে
১ দিন ঘুমিয়ে যাব, হারিয়ে যাব শূন্যতায়। এরোপ্লেন যাত্রীরা
কখনোই করবে না আলাপ আমাকে লয়ে। কখনোই বলবে না–
আমিও একদিন ভেবেছিলাম বিষণ্ন ফ্লাটের বারান্দায় তাদেরই বিষয়ে!
প্রশ্ন করেছিলাম নিজ সত্তারে, শূন্যতা কতটা উপরে উঠলে তাকে
আকাশ বলা যায়?


ফেরদৌস মাহমুদ

ফেরদৌস মাহমুদ

ফেরদৌস মাহমুদ। জন্ম: ২৩ অক্টোবর, ১৯৭৭। চরডিক্রি, মুলাদী, বরিশাল [নানা বাড়ি]। শিক্ষা: স্নাতকোত্তর, রাষ্ট্রবিজ্ঞান। পেশা: সাংবাদিকতা।
কাব্যগ্রন্থঃ সাতশো ট্রেন এক যাত্রী (২০০৬), নীল পাগলীর শিস (২০০৯), ছাতিম গাছের গান (২০১২), আগন্তুকের পাঠশালা (২০১৬)।
জীবনীগ্রন্থঃ সত্যজিৎ রায় (২০০৯)।
ছোটদের বইঃ সন্ধ্যা তারার ঝি (ছড়া-কবিতা, ২০১৬)।
ইতিহাসঃ বিশ্বযুদ্ধ (২০১৬)।
ferdous.mahmud77@gmail.com

Loadingপ্রিয় তালিকায় রাখুন!
E