৪ঠা অগ্রহায়ণ, ১৪২৪
নভে ০৬২০১৬
 
 ০৬/১১/২০১৬  Posted by
কবি বিশ্বজিৎ দাস

কবি বিশ্বজিৎ দাস

কবি পরিচিতি

বিশ্বজিৎ দাস। জন্ম : ১৯/০৯/১৯৮৫। প্রযত্নে : বিনয় প্রসাদ দাস। গ্রাম : ভবানীপুর। ডাকঘর : ভূরকুণ্ডা। থানা : হাসনাবাদ। জেলা : উত্তর চব্বিশ পরগণা। পিন : ৭৪৩৪২৬। পেশা : গবেষক কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়(বিষয় : বাংলাদেশের কবিতা :১৯৭১-২০০০)। নেশা : নারীবায়ুভুকগ্রস্ত। ভালোলাগা : গান শোনা, কবি/লেখক কন্ঠে কবিতা/গল্পপাঠ শোনা। যোগাযোগ : ৯৬৭৪৫৩২১২০।

বিশ্বজিৎ দাস -এর কবিতাভাবনা

ধরো আর কোন দিন চাঁদ দেখব না, আজ রাতে শেষবারের মত দেখতে গিয়ে কতকিছু মনে এল।  যেগুলো আগে হাজার বার দেখা সত্ত্বেও মনে আসেনি।
আসন্ন বিদায় জেনে মাথার মধ্যে গোটা পৃথিবী ঠোক্কর খায়…নিশ্বাস আর প্রশ্বাস ওঠা নামায় চেনা জগৎ অচেনা আদলে রূপে রসে ভরে ওঠে। এইরকম একটা পরিস্থিতিতে ইতিহাসের আবর্তে ভৌগোলিক পরিণামে দার্শনিক প্রজ্ঞায় জীবনের অলিগলিতে রাসায়নিক আলোড়ন ছিটকে বেরিয়ে আসে খুলির বাইরে…আর তখনই মুক্তছটায় ঝরে পড়ে কবিতা…

কবিতা আমার কাছে এরকমই…অনেকটা খিঁচ ধরা দেহ থেকে যন্ত্রণা দূর করার মত…যদিও ঔষধটা অজানা…প্রকাশ মাত্রই সৃষ্টি ও অক্সিজেন পেয়ে কবির মনোভূমি বেদনা-বসন্ত অতিক্রম করে।

আমার মনেহয় কবিতার নামকরণের ক্ষেত্রে শুধুই ব্যঞ্জনা নয়, সিচুয়েশানটাও গুরুত্বপূর্ণ…আমি বিশ্বাস করি একটা কবিতার জন্মলগ্নের মুহূর্তটা তার নামের সঙ্গে সম্পর্কিত শব্দকে নিজের অনুভূতির সঙ্গে মেলাতে পারলে স্বতন্ত্র ভাষা তৈরি হবেই…যদি তা খাঁটি হয়!

কবি
কবিতা
আর আমি
এই ল্যাম্পে এগোতে চাই, রিভার সাইড সিটে…

বিশ্বজিৎ দাস -এর কবিতা

বউ-সম্ভার


মাল্টি কমপ্লেক্স উদারতা নিয়ে ব্রহ্মাণ্ডে
যে ফেনা তৈরি হয়, তার জন্য পায়ে পায়ে

চামগুলতি প্রবাহিত হয় হার্টলেস পুকুরে
যেন অভিসার নেই, সঙ্গম থিংক নেই

গোড়াতেই অধিকার করে বসে
শুদ্ধ চামড়ার হাওয়া       খিঁচ ধরা আঁচলে
এরচেয়ে বেশি আদর্শ কাজ করে না, জেনে রেখো!


ঘরকে যদি অনলাইন শপিং সেন্টার ভাবো
তো, আজকেই একটা আবস্ট্রাক লক্ষ্য স্থির করো

কোকিল ও কাকের মানসিক গিফ্ট ভাউচার
আপনাকেও টিটকিরি করে, কি করে না!

আপনি ফর্সা হলে, জ্যান্ত রুই জল খোঁজে বিছানায়
আপনি ব্যাকআপ দিলে ঘুরে বসে বালিঘড়ি!

এখন প্রশ্ন না করাই ভালো, তুমি কি ভালো আছো?


এনগেজমেন্ট শব্দটিতে
এমন কিছু রাসায়নিক বিস্কট আছে
যা প্রতিমুহূর্তে ভাঙতে থাকে, গড়তে থাকে
অ্যানিম্যাল প্ল্যানেট জোরদার হয়, বাস্তুতন্ত্র!

হা, ফ্রি সেক্স বলে দেশের তালিকা বাড়িয়ে
গোপন সংসার নিরিবিলিতে লালন
তাতে অবশ্য ক্ষতি নেই, এখন জর্জরিত
সিরিয়াল
সিলেবল্
আর ঘুঘুতে
অন্যথা, বেসিক পে স্কেল এক ইঞ্চি নড়ে যায়!


সতী বলে যে কথাটি বেশ কিছু খচ্চর ময়দানের
এদিক সেদিক খোঁজে, তাদের ভবিষ্যৎ
গাছের ছায়ায়
হালফিল সাপের ঠিকানায় লেখা থাকে

বাড়ি ফিরে তেঁতুল পাতায় চাপাচাপি
হুস্ করে ফানুস ঠোঁটে হারিয়ে যায়

দেখলে তো মনে হয়, জিঙ্কের অভাবে
একটু বিকল যন্ত্রের বুদ্ধচরিত পড়ছে!


প্রতিটা শাড়ির ভাঁজে মিউজিক্যাল শান্তি রেখে
ফুড়ুৎ!
ব্রেণ ক্যালক্যুলাস ঝুলে পড়ে ঘাসে
ম-ম-তা-জ…

যতক্ষণ গা ঢাকাতে সময় লাগে
ততক্ষণই অফ-অন হচ্ছে শরীর

লেন্সের বিশুদ্ধতা নিয়ে এখন জিজ্ঞাসা মানে
আপনার গুম হওয়া ব্যথা সঠিক কথা বলছে না…

Loadingপ্রিয় তালিকায় রাখুন!
E