৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪
জানু ০৫২০১৭
 
 ০৫/০১/২০১৭  Posted by

অনিন্দ্য রায় -এর “শীত ’৯৬”


ঘুমের আধুলি আমি বিলিয়ে দিয়েছি, বাকিটুকু তোমায় খরচ করি, ইন্দ্রিয়ে বাজাই। তুমি, অন্ধ ভিখিরির গান, সামনের চাদরে গতশতকের শীত মেলে রাখা।
আজও যদি কাঁদো ঐ ছায়াময় খুঁটে গাঁওয়ালি চুম্বন এসে লাগে। জাগরণে যেসব অপরাগ্রন্থ বুঝতে পারিনি সের’ম একটি পৃষ্ঠা চেনা মনে হয়


যদি দেখা না-ই হয়, যে পাতা রেটিনা, নীচে ফোঁটারস অপরিসীমের। আলোর সামান্য কাঠি দিয়ে নাড়ি, বিম্বে চরাচর। যদি দেখা না-ই হয়, উদ্ভিদের বদলে তোমায় দৃষ্টিপ্রান্তরের মাঝে পুঁতে দিই, যদি, যদি আমিও চাষীর ঘরে সোনার ঈষের জন্য সিঁদ কাটলাম


ঘাসের বানানো কাঁধ, আগুন তো গা-পড়া বান্ধব

ছোঁয়াদিবসেও ধ্বজা নামাতে চাওনি, তুমি, এত স্বার্থপর


শুশ্রূষা উল্টিয়ে রাখা, যেভাবে পানীয় পড়ে ছলাৎ ছলাৎ। রক্ত দেখেও কোনো উত্তেজনা, মাংসপুটুলি দেখে জলোচ্ছ্বাস নেই আর।

মর্মরের দিকে যেতে নুয়ে রাখি মেমেরিকৌশল, তোমার আঙুল থেকে, বিশল্য বাতাস লাগল
কোনো পালে? কোনো প্রামাণিকে?


হোস্টেল আর পালক। করবী আর রক্তপরীক্ষা। উদ্ভেদ আর বাংলা কবিতার জন্য একটি বিছানা।

যে ট্যাবলেটগুলো নীল তারা গুলে যাচ্ছে, ইন্টাররপ্রিটেশন অফ ড্রিমে, কেউ কেউ মেরুন । কেউ কেউ বসন্ত নামের এক ওয়ার্ড মাস্টার, কোনোদিন ভেতরে আসেনি


সূর্যাস্তে সেলাইচিহ্ন, আমি তাকে ধরেই চিনেছি।

আরেকটু পশ্চিম যদি যাওয়া যেত, কতিপয় যৌনস্ক্যালপেল যদি আকাশে নক্ষত্রবেশে ছড়িয়ে পড়েছে, বুঝি, আর্তনাদের কোনো নিষ্ফলতা নেই

অনিন্দ্য রায়

অনিন্দ্য রায়

Loadingপ্রিয় তালিকায় রাখুন!
E