৪ঠা অগ্রহায়ণ, ১৪২৪
মার্চ ২১২০১৭
 
 ২১/০৩/২০১৭  Posted by
অলোক বিশ্বাস

অলোক বিশ্বাস

অলোক বিশ্বাস-এর কবিতা

আলাপন

কাছের আলাপনে থাকি। দূরের আলাপনে থাকি। মাঝখানে অবিরাম যুদ্ধ এবং যুদ্ধ বিরোধী মিছিল। কাছের আলাপনে উত্তরে পাড়ি দিই, দূরের আলাপনে দক্ষিণে ভেসে যাই। বিপরীতটাও ঘটে। এইসব আলাপনে র‌্যাবোঁঁ থাকে ভলতেয়ার থাকে আর থাকে ছোটো ছোটো জনপদের বাউলেরা। টাওয়ার না পেলে আলাপনের যোগাযোগ কেটে যায়। হাউহাউ করে কাঁদে সীমানার ওপারের রাধা। পুনরায় টাওয়ার এসে গেলে যথারীতি শুরু হয় লাল মাটির পথ। সবুজ বা নীল মাটির পরিযায়ী রূপকথা…

আসক্তি নিরাসক্তি

এক প্রতিমা বিসর্জনের পর অন্য প্রতিমা এলো ভাবনায়। ভরে উঠলো নদনদী রাস্তাঘাট ও বেডরুম প্রতীকি মূর্তিতে। নিয়মানুগ এইসব মূর্তি ছুটছে ভেঙ্গে পড়ছে খাঁচায় ও খাঁচার বাইরে। এইসব প্রতিমা দেওয়ালে ও দরজায় অভ্যাসমতো আসক্ত রাখছে আমাদের। নিরাসক্ত রাখছে আমাদের, তাদের সীমা বহির্ভুত থিম। প্রতিমার মন্ত্র থেকে মুক্তি চাই বলেও মুক্তি প্রসঙ্গটা কখনো কঠিন। সেই অবস্থায় প্রতিমার গয়না বদল করি, রঙ ও ধ্বনি বদল করি। প্রতিমায় লাগাই অন্য কাঠামো। মঞ্চের বাইরে এসে দেখি মিলনপল্লির রূপ বদলে গেছে…

প্রেমিকা সন্দর্ভ

প্রেমিকারা কালো ধোঁয়া ভেদ করে ডানা মেলে দেয় আকাশে। মহাকাশে বিভিন্ন কণ্ঠের বাস নক্ষত্রের পাশাপাশি। নক্ষত্রের আচরণ অনেক বেশি জানে প্রেমিকারা। প্রেমিকাদের নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের ওঠানামা থেকে পৃথিবী সম্পর্কে মহাকাশের মতামত জেনে রাখি। পৃথিবী ও মহাকাশে যতোপ্রকার ক্ষতচিহ্ন আছে তার সব জানে প্রেমিকারা। অ্যাসিড বৃষ্টিতে চিন্তায় ও ব্যাবহারে গভীর ক্ষত হলে মহাকাশ থেকে আনা ক্রোমোজোম মাখিয়ে নিরাময় করে প্রেমিকারা…

Loadingপ্রিয় তালিকায় রাখুন!
E