৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪
ডিসে ১৭২০১৬
 
 ১৭/১২/২০১৬  Posted by
কামরুল ইসলাম

কামরুল ইসলাম

কামরুল ইসলাম -এর ১৫টি কবিতা


শান্ত স্রোতের মেঘবীজ

হৈচৈ-এর ব্যক্তিত্ব নিয়ে ভাবনারা পড়ে আছে
শালবনের আঁধারে, যেন অদৃশ্য বুজুর্গগণ
চিলসংগীত বুকে গেঁথে সাজিয়েছে রাতের মোকাম

কোনো কোনো রাত গোলাপের অবাধ সন্ধ্যাটুকু
ছড়িয়ে দিয়ে চলে যায় বানপোকাদের দেশে,
আমরা সংসারের তীরে আটপৌরে কেনা-বেচার মধ্যে
ডুবে থাকি, আর ফসলের নিবিড় পাঠে বুঝে যায়-
মানষের সীমাহীন বঞ্চনার দিকে হিংস্র প্রতীকেরা শুধু…

আরশোলার স্নায়ুতন্ত্রের মাঠে
নিভে-যাওয়া হৈচৈ-এ ফুটে আছে নৈ:শব্দ্যের ফুল
ও হে অধুনা বকুল, খুঁজে নাও  কৈ-এর ঝাঁক
শোকের দুকূলে, আর পেন্ডুলামের ক্লান্ত ডানায় তুলে দাও
শান্ত স্রোতের মেঘবীজ- ; একদিন
অন্ধ চেরাগের বিদ্যালয়ে চূড়ান্ত ভালোবাসার দিন ফিরে এলে
নাভীমূলের গুল্মলতায় দোলা দিয়ে যাবে প্রত্নঘুড়ির উড্ডীন-


কুয়োতলের অন্ধকারে হারানো গানগুলো

ওই সুখশান্ত মৌন উড়াল আজ আমি নিভিয়ে দিলাম।

আজ আমি পেরিয়ে যাব সমস্ত আড়াল
আমার ক্লান্ত হাতদুটো মাছিদের অভিসার ছেড়ে
অনেক দূরের পুরনো ডাকটিকিটের নৈঃশব্দ্য ছিঁড়ে
দেখে আসবে আরেকবার কদমতলার পরম শূন্যতা

বধূ হে, জগডুমুরের চোখ থেকে জেগে উঠে
শান্ত ধুলোর মরমে এসে প্রীত হও, ঝড়ের শৌখিন রথে
একদিন তুমি ধ্যান ও ধানশিষের ঔরষে
ফলিত প্রেমের মধ্যে, ধীর মন্ত্রে, তুলে নিও আমার
কুয়োতলের অন্ধকারে হারানো গানগুলো-

নৈ:সঙ্গ্যে তার বেঁধে জেনে গেছি-
এখন পাড়ার মেয়েরা আর কুয়োজল খোঁজে না


লাল মাটির কবিতা

লাল মাটির কবিতা তোমার পছন্দ ছিল-
তুমি জানতে আলোর ভেতরে কী রকম যন্ত্রণা
ঢেউ খেলে লাল ইস্পাতের বল হযে যায়, আর
বুড়ো কচ্ছপের সাঁতার নিযে কীভাবে জলজ কেতাবের
পৃষ্ঠাগুলো নিজেদের গুঁটিয়ে নিতে থাকে-

তুমি বৃষ্টিতে ধুয়ে দিতে চেয়েছিলে মৃত্যু ও কফিনের
যৌথ সংসার, আর পাড়ার কিন্নরতলায় গান কুড়োতে কুড়োতে
জেনে গেলে বিরামহীন দৃশ্য লঙ্ঘনের ইতিহাস-

লাল মাটির কবিতা তোমার পছন্দ ছিল-
লাল ভাতের গদ্যের ভেতরে সাঁতার কেটে কেটে
একদিন তুমি জেনে গেলে লালপেড়ে শাড়ির আঁচলে
আলোরা কীভাবে অন্ধকারে ডুবে ডুবে জল খায, আর
পাশের বাড়ির অন্ধ লোকটি আধখানা মেঘ কাঁধে
ভেঙে যায় সবগুলো পুরনো দেয়াল-


অবনত হও

অবনত হও,দেখো, অতঃপর ভাঙা জাহাজের
নাবিকদের সাথে দেখা করো সস্তা পানশালায়-
আকাশকে তো আর তুলসি তলায় নামিয়ে আনা
যাবে না, তাই, চলো হাঁটি, ফুটপাতের চায়ের
দোকানে কান পেতে শুনি- মানুষের বুকের ভেতরের ধকধক
কতখানি নীল হয়ে শুনতে থাকে সমুদ্রের গান-

ঘাসের মস্তকে ফিরতে চেয়ে একদিন যে ঘাসফড়িং
বুঝে গেল বাণিজ্যের গুপ্ত ইশারা
সে-ও আমাদের পড়শি; বাতাসের দরজা ঠেলে
অগুনতি ঘরমুখী হৈচৈ আসতে থাকে বারান্দায়,
কয়েদির পোশাকে সূর্য চুঁইয়ে রোদও আসে-
অবনত হও, রাই-সর্ষের হলুদ ওড়নায় ভিজিয়ে মন
নিঃসঙ্গ নদীর চোয়ালে জমে থাকা মাছের সংগীতে
মাটি ও মেঘের কুশলাদি নিয়ে জেগে ওঠো হে-


পার্থেনিয়াম

সেখানে মানবেতিহাসের পোড়া ছাই ,আমি তুলে নিই হাতে;
পার্থেনিয়াম নিয়ে ভাবতে ভাবতে বীজতলার আনুগত্যের কথা ভাবি
যেখানে তোমার তন্দ্রা থেকে জেগে ওঠে পরিণত খামার
সেখানে তোমার ইচ্ছেগুলো কচুরিপানার
আধো আধো বোলের ভেতর লুকিয়ে থেকে বাজাতে থাকে
তালপাতার বাঁশি, চৌপাশে পাথর ও নৈ:শব্দ্যের বেড়া
সেই ভাষাহীন দিনে একটি ছবি এসে জুড়ে দেয় পঞ্চমাত্রিক নাচ
ছবিটি  উঠোনের কোণে ছড়িয়ে দেয় বিষের গুঞ্জন আর
আমার মনে হলো, ঘুম ও তন্দ্রার কত মৃদু ঢেউ,আহা, কত নষ্ট প্রহর
জেগে আছে  চারপাশে, চাঁদেলা বাতাসে-


গন্ধ-পতনের দিন

রাত্রি তার জাগরণ নিয়ে ঘুমিয়ে পড়–ক,
এখন পান-বরজের পাশের পথ দিয়ে
হেঁটে যাওয়া রহস্যদের মুখে যে কুলফি-বরফের রোদ উঠছে
তার দিকে হেমাঙ্গ বিশ্বাস জানালা খুলে তাকিয়ে আছেন-
তোমার মাটির ঘরে গোবরের ঘ্রাণ
আমার চোখের বয়েমে জমা হচ্ছে
বাবলা গাছের পুরনো দিনের ছায়া

অগোছাল ঘরে সম্ভোগ ও চিতাবাঘ
দলীয় পতাকা উড়িয়ে হাইকিংয়ে-
গন্ধ-পতনের দিন আসছে চা-পাতার আড়ালে


পোশাক

ব্যক্তিত্বের হ্যাংগারে ঝুলানো কারিকুলাম- এইসব পোশাক-আশাক
মধ্যপ্রহরের প্রার্থনা বেযে ঢুকে পড়ে বসন্তের এলোমেলো বাগানে-
পোশাক মূলত এক রঙ থেকে আরেক রঙে যাবার সহজ উপায়, আর এই
জাগতিক খেলা পাতা ঝরার আকৃতি নিয়ে বন-বাদাড়ের স্বপ্নের দিকে ওড়ে

খোলা পথের চারপাশে বিবাহিত মনের কুমারীগণ বৈধব্যের পাঠ নিচ্ছে
এমনই ছায়ায়। পোশাক কখনো জটিল জ্যামিতির অদৃশ্য থিওরেম-
তোমরা সেই পোশাকের তলে নিজেকে লুকিয়ে বনে বনে উড়িয়ে দিচ্ছ
নিজেরই সর্বনাশ, আর যখন বাড়ি ফিরছো-  সাথে আসা পথগুলোর
কাছে তোমাদের আহারবিদ্যার চটি পুস্তকটি আর খুঁজে পাচ্ছো না


টানাগদ্যের ইতিহাস

হরিণ পালানো পথের দিকে তোমাদের বাড়ি
তোমরা ঘাসের নামতা পড়ে প্রতিদিন জঙ্গলে ঢোক
ঘাসের পিরিতে মজে থাকো সারাদিন-
তোমরা বনের মধ্যে অরণ্যের গন্ধ খোঁজে খোঁজে
হযরান হয়ে যখন বাড়ি ফের, উঠোনের কোণে দেখে ফেল-
একটি দোনলা বন্দুকের দিকে পাখিদের সেজদার আয়োজন
বাতাসের ফিনফিনে জায়নামাজ ঘিরে রক্ত ও ঘাসের সেলফি

২)
বাইনোকুলারে  চোখ রেখে  এক অনার্য কিশোরী
দুপুরের রোদের গতরে তীরবিদ্ধ সময় সংকেতে
যুদ্ধদিনের পথে পথে কুড়োতে থাকে হারানোর গল্প:
গল্প মানে খালপারের যুদ্ধ শিশুদের মানসিক বয়স নিয়ে
একটি বাড়ির সারদিন হেঁটে হেঁটে বনের কাছে আসা,
আর তার ঘুমিয়ে পড়ার আগে, একটি বৃদ্ধখালের পিপাসাকাল
গেরিলার কৃৎকৌশলে কিছুটা স্মরণে আনে- একদিন
এক ঘাসের নৌকোয় জ্বলে উঠেছিল টানাগদ্যের ইতিহাস


মাংসের মাল্টিপল গন্ধ

চুড়ান্ত সিদ্দান্তের পর রেসিপিতে বেড়ে যায় মরিচের ঝাঁজ
শীতের চিলেকোঠায় হলুদের মাতলামি আর
পার হতে পারে না দুঃস্বপ্নের  ঝোল-মাংস, পিঁয়াজের  গান

এদিকে আহত বনের কসাইদের উলুধ্বনিতে
স্লটারহাউসের প্রকম্পিত মাংসের শোবিজসহ
সবকিছুই ঢুকে যাচ্ছে কোনো-না-কোনো সুরের মহলে-
চতুর্দিকের বিভাজন মাতালের কণ্ঠে গীত হবার আগেই
এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের দেয়ালে টাঙানো হয:
বিদ্যুতের নর্মস থেকে তোমাদের বিছানার দূরত্ব সরে যাচ্ছে,
তালগাছের মাথায় উঠে দেখ-
তেল ও গ্যাসের শৈশবের গলিতে  এখন অন্ধকার
মাংসের মাল্টিপল গন্ধ শুধু জ্বলে উঠছে জলের কিনারে

১০
অবনত আমিষের মুখ

মিস্ত্রিবাড়ির আলোগুলো দর্শন ও গৃহবীজ
তুমি খোঁজ লালনের রূপ-মৎস্যের স্মৃতি-

যে আলোয় রঙ নইে, রঙের খেলা নেই
সে আলোর স্নানের গভীরে তুমি ঢুকে পড় শীতের প্রভাতে

হাতুড়ি কি অফুরন্ত জ্বর নিয়ে ফাঁকা বারান্দায়
লিখে গেছে আকাশ-পড়ুয়া পেরেকের দু-চারটি জোকস?

মাছের কান্নার শুদ্ধ উচ্চারণে বৃষ্টি নামলে
কেঁপে ওঠে মেহগিনির চাঁদবেনে বুক

তুমি সেই মাছেদের কথা জানো, যারা গভীর জলের অন্ধকারে
টর্চ জ্বেলে বুনে যায় অবনত আমিষের মুখ

১১
সিডিউল চেঞ্জ হওযার পর

ধর্মকলের খুব কাছাকাছি তোমাদের গ্রাম
তোমাদের গ্রাম্য খামারে রচিত হয়- মায়াযোগ
পালক মেশানো গদ্যের বুননে; পিঁপড়াদের ভাতঘুম  
বেয়ে পাহাড়ে উঠছে লড়াকু কষ্টের ঠাটগুলো
প্রজন্মের বোদ্ধা লাঠিয়ালরা কুড়োতে থাকে
ঘুম ও স্বপ্নের মধ্যরর্তী  জলের ভাসমান সাহস-

সিডিউল চেঞ্জ হলে আমাদের সৌভাগ্যের চাঁদ-তারা
বুঝে উঠতে পারে না জল-হাওয়ার গোপন সিঁড়িটি
আর এভাবে স্থির হয়ে যায় হাটের কোলাহল
কোনো সকালই আর দুপুরের দিকে হাঁটে না
হাতঘড়ির অন্ধকারে বাসা বাঁধে চতুর ভাইরাস-

আমাদের এই ধর্মরাজ্যে তখন ধূর্ত চিলেরাই
কাব্যকলায় হাত পাকাতে অদৃশ্য স্নানঘরে ঢোকে

১২
বাইনারি সখগুলোর কথোপকথন                                     

কাঁকড়ের ভুঁই তছনছ, শিয়ালেরা পালিয়েছে                                                          
দিগন্তের ঝোপে, তাই জিগাতলায়
কষ্ট-আছানের তাবিজ বিক্রি কমে গেছে অনেক।

গোছলের ঘাটে পড়ে আছে হুকো-টানা দিন
যখন ঘুমেরাই গুটিসুটি বসে থাকে স্বপ্নের ভেতর
কিংবা বাইনারি সখগুলোর কথপোকথন
সুখ-তাবিজের সুতো ধরে টেনে যায়, আর বছরান্তে
ফিরে আসে লোকজ উঠোনে কড়ির হারানোর গল্প-

দিগন্তের ঝোপের আড়ালে কবিতার ঝুলন্ত ইশারা
সমস্ত ঝোপের কষ্ট বেয়ে
শিয়াল-কন্যাদের সাথে; জিগাতলার ছায়ায়
সেই তাবিজ-ওয়ালার তেল-চুকচুকে চুলের মহতি
অত:পর অনন্ত গোছলের মহড়া-
আঁধারের রক্তমাখা অশেষ খঞ্জনি কে নেবে শেষে?

১৩
দীর্ঘশ্বাসের সারগাম

আবারও সন্ধ্যা হবে জৈষ্ঠ্যের বিকেল পেরিয়ে অরণ্যের গভীরে-
এরকমই নীল খাম উড়ালো ধুলো
সম্ভাবনার মৌমাছি যত পেয়ে গেলো মৃত্যুর খবর

লিরিকধর্মী আমগাছগুলো উড়তে উড়তে
গাছপাকা আমের কষে লেখা হলো মৌন অটোগ্রাফ
শ্মশানের ম্যাজিক চৌকাঠে-

অরণ্যের কোনখানে গভীর অরণ্য- দুপুরকে বলেছি,
সে তো সারাটা পথেই ছড়িয়ে রেখেছে
দীর্ঘশ্বাসের সারগাম। দুপুরও মৃত্যুশাসিত,
পথের ভঙ্গিমাসহ দ্বি-চক্রযানে পাড়ি দেয় খাঁ খাঁ যৌবন!

আমি মুগ্ধ হই মৃত্যুর হাতপাখার বাতাসে
যখন বেজে ওঠে নিমপাতার অস্থির শোকগুলো   
শালবাগানের প্রাচীন পথে, আর
অবাধ বিরতির দিকে পালাতে থাকে অধরা ককরোচ-

চারুতলায় নেভানো কটি কদুফুল অরূপের ধ্যানে
জেগে আছে আম্র-মিতালি বনে বনে দৈবচয়নে-
মাঝি হে, কোথায় তোমার বিরচিত আনন্দের বাড়ি, মধুর গুঞ্জন
কোথায় তোমার চর্যারোদে উন্মাদ আম্রকানন?

১৪
লীলাময় জ্বর

জ্বলন্ত অগ্নিকুন্ডের চারপাশে বর্ষা নেমেছে
প্রেমরঙা মাছের নেশায়

বাজারের কোলাহল-নুয়ে-পড়া রাতে
গাছ-পালানো পাখিদের জ্বরগ্রস্থ যৌবন
নেচে ওঠে পারদের নানারঙ ছন্দে
আর তিন-তাসের হাত ধরে বুক-সমান উঁচু দিয়ে
উড়ে যায় টইটুম্বর নৈঃশব্দ্যের লীলা-

আয়ুর ভেঙে পড়া ঘরে অদৃশ্য গোলাপায়ন
কিংবা ল্যাজারাস ফেনোমেনন
যেন সরল দোলকের রোদ-পোহানোর সুখ
মিশে গেছে ব্যাঙ-ডাকের অপরূপ কৌশলে

জ্বরের তান্ডবে নেচে ওঠে বৃষ্টি ও মেঘ
চৈতন্যের টিলায়
তখন জলের তোড়ে ছায়া ফেলে দূরে চলে যায়
গাছ ও জলের জ্যামিতি
আঁধারের যুগল বাহুতে ঢেকে যায় নদীপাড়
জয়তির দেউড়িতে ভোরের খোৎবা স্নান সেরে ওঠে-

লীলাময় জ্বর নেমে গেলে
রাতের বুক থেকে টুপটাপ ঝরে পড়ে অন্ধকার…

১৫
একটি  চুম্বন দৃশ্যের পাইরেসি

একটি নিঃসঙ্গ পালক  ঝুলে আছে অসম্ভব দাঁড়ানোর ভঙ্গিতে
আমি এর মানে জানতে পক্ষীদের ডেরায় হানা দিই
পর্যাপ্ত ঘামের মধ্যে সাঁতরাতে সাঁতরাতে অত:পর দেখি:
পুবের জানালায় ঘেমে ওঠার গল্প নিযে বানানো হচ্ছে
স্বল্পদৈর্ঘেও বিনুনি দেওয়া খাল পারের কাহিনি নিয়ে
জগতের সমস্ত শুষ্ক কণ্ঠের কোলাজ ঘেরা সোনালু রঙের মুভি
তখন বিকেলের দিকে ঘুমের প্রচ্ছদে আঁকা ডুবন্ত ফসিলের
পানাহার নিয়ে কথা উঠছে, কথা উঠছে পাইকারি বাজারের
থমথমে জিলাপির প্যাচের নানারঙ ছন্দ ও কৌশল নিয়েও;
একটি অমায়িক চুম্বন দৃশ্যের পাইরেসি নিয়ে
জ্বলে উঠছে দুটি যমজ কাঁকলাশ, আর বামদিকে
যে আলোকস্তম্ব ঘিরে একদিন জেগেছিল জামতলার
দ্রোহনীল জোনাকিরা, আজ তারা ডানের অন্ধকার
গলিতে একটি জটলার ভেতর দাঁড়িয়ে ভেবে যাচ্ছে-
জঙ্গল কেন বৃষ্টি কুড়িয়ে ভরে তুলছে রিপু করা শুকনো কলিজা-

Loadingপ্রিয় তালিকায় রাখুন!
E