৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪
জুন ১৮২০১৭
 
 ১৮/০৬/২০১৭  Posted by

বারীনের রান্না আর বান্না                           

                           স্ক্যাভেঞ্জারের ব্যাগ

ভাবলে বেড়ানো না ভাবলে ছন্নছাড়া ভ্রমনের ভ্রু দ্যাখ বে অ্যাই শালা চোখ সারি দিয়া বাসের লাইন আই মে মেয়ে পাখি কি সব মনে পড়ছে বৃষ্টিপোকা হয়ে একদিক দিয়ে আর অন্য দিক দিয়ে বেইরে যাচ্ছে বাজারটা সারলে হয়

              পুং স্যাম্পেল       মাদি মাদি ছবি ছেঁড়া ছেঁড়া

বিয়ার বিয়া নাকি           ভ্রুণটগরে রান্না     সুরা      দর্শক

                                                                 ধানের অভিধান কেন যে কে যে রাইটার

তারপর পটলের দোকানে পটল চেরা পটল বাছা পটল তোলা এতক্ষণে পায়ে টল মল পড়েছে

                            বর্ষায় যে ঝাপসা বাবু হতাশার তাস খেলছে উহারা অরুণ চক্কোত্তির ফোড়নটা ইস

মাইল মেশানো ট্রেকিং পাতোল পাতোল গান ক্লোরোফিল

শব

শ শ শ শমাংস গন্ধ জল গুণ রেলারির বীজ পটলের ডাল না না না                না বলতে ভাল লাগে রে

                          দূর শালা ব্যাগ ভরছে না তবু সর বে সরে যা

                                                                           ঝুটা তো ঝুটাই ফ্রেম চুরি যাক গে

 

বাজার সেরে বাড়ি ফিরে ব্যাগ উল্টে দিলে বৌ মুখ ঝামটা দিলো খাইসে কিয়ের রান্না অইবো অখনে খামু কিকিকি — গ্যাপ — ঝামটা দিলেও রান্নাঘর থেকে খুশবু বু বু বু বু বুবু হয়ে যায়। রান্না শেষে মাল দাঁড়ালো এমন এক মন। সেই যে আমি জগাখিচুড়ি রান্না শিখিয়েছিলাম তাকে, ৫/৬ টা সবজি ছোট করে কেটে, চাল ডাল আলু পেঁয়াজ লঙ্কা দিয়ে নুন হলুদ, আর আর, মাংস ছোট ছোট করে কেটে একসঙ্গে প্রেসার কুকারে জল দিয়ে ৫টা  সিটি, ব্যাস মাল তৈয়ার, লোকে চেটে পুটে খেতো, সেরকমই, পুরো বাজারটা কেটে কুটে মশলাপাতি দিয়ে কুকারে, জরায়ুতে, অ্যান্ড মাইন্ড ইট, নো আউলিপো প্লিজ, নিজের বেবিকে সবাই সুন্দর দ্যাখে, অর্কবাবু খেতে বসবেন, সিডনী থেকে এয়েচেন, আসুন বাবু, আমি পরিবেশন করি ঘ্যাঁটটা, না না, জগাখিচুড়িটা … … … চলুন স্যার … …

 

 

আই যাই চোখ

আইবুড়ি

       শাড়ি নয় সারি

গাছের মেয়েরা পল পল করছে পুংপরাগে

বোস পাখিদের এখন পাখি বসু বলতে ইচ্ছে করছে যে

অভিধানের বাইরোপন ধান এবারের মতো গান বেঁধেছে মাঠে

উলুবনে শব্দবিয়ার স্যাম্পেল দেখবে চলো

 

এ তবে কাহার বিয়ার আগে কার ভ্রূণ খুলেছি আমি 

ভোরুণ বাতাসে যে টগরতলায় সাজি ফেলে রাঁধতে যাবে

দাঁড়ে বসে ডাকবে ওই মা

রান্নার বই ঝাপসা হলে পাল্টে নেবে ফোড়ন

 

লম্বা ট্রেকিং-এর বুড়িদাগ কেবলই সরে সরে যায়

হতাশার যে তাসে রেললয় ধরে তান

                         আর আমরা দর্শকের

এই হাস আমি কোন ঠোঁটে আঁকি পটিয়সী

এই চাপা গুন চাপা গুন সুরের সুরা ঢালবেটা কে

 

ইসমাইল

          ম্যান

ওই রাস্তা পেরোয় পায়ের তলায় অচেনা পলল

সেই ভঙ্গী ফ্রেমের

                 ফ্রেমাংসের

                            বীজের সবুজে

ক্লোরোফিল ফিল করা শবরা আর দ’য়ে পড়ছে না তো

 

 

কেমন লাগলো স্যার ? হ্যাঁ ? না ? যাস্‌সালা … …

                                —————

 

বারীন ঘোষাল

বারীন ঘোষাল

Loadingপ্রিয় তালিকায় রাখুন!
E